জটিল রোগ নির্ণয়ে ঢাকার ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর খামখেয়ালী ও ভুল রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগ নতুন নয়। এই বিষয়ে তারা যথেষ্ট সচেতন যেমন নয়; তেমনি এই ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর কার্যক্রম নিয়মিত তদারকিও করেনা সরকারের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। ঢাকার আনোয়ারা মেডিক্যাল সার্ভিসেস বাংলাদেশে ক্যানসার রোগ নির্ণয় করার জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান। এখানে সারা দেশ থেকে অপারেশনের নমুনা (স্যাম্পল) পাঠানো হয়। অথচ এদের বিরুদ্ধে ক্যানসার নির্ণয়ে মারাত্মক ভুল রিপোর্ট প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। ক্যান্সার না হওয়া রোগীকে ক্যান্সার বলে রিপোর্ট দেওয়ার ঘটনাও ঘটছে। তাদের এই রিপোর্টের ভিত্তিতে ডাক্তাররা রোগীর অঙ্গ কেটে ফেলার প্রস্তুতিও নিয়ে থাকেন।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) প্রফেসর ডা. সামিউল ইসলাম সাদী বলেন, আমাদের স্বাস্থ্য সেবা অবশ্যই উন্নতি হয়েছে। তবে, সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করা একটা চ্যালেঞ্জ তো আছেই। অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে তাদের অভিযান চলমান।
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক ডা. মাহমুদুর রহমান এ বিষয়ে বলেন, ‘ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মান আছে। তবে, মান নির্ণয় ঠিক আছে কিনা তা চেক করার ব্যবস্থা নেই। আমাদের এখানে নিয়ন্ত্রণ কম। সমন্বিতভাবে মনিটর করতে হবে। সঠিকভাবে রোগ নির্ণয় করা একটা চ্যালেঞ্জ তো আছেই। মা্যনেজমেন্টে সমস্যা থাকলে ওই প্রতিষ্ঠানের গুণ থাকে না। বইতেও আছে একশটি পরীক্ষা হলে সেখানে একটি ভুল হতে পারে। বাংলাদেশে রোগীদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বহু জায়গায় ঘুরতে হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা রোগী ও তার পরিবারের জন্য হয়রানি। কিন্তু উন্নত দেশে তা খুব কম।’
অনুসন্ধানে জানা যায়, সরকারি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভুয়া ডাক্তাররা চিকিৎসা দিচ্ছেন। দালালের মাধ্যমে সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগীদের এনে ওই সব রোগীর চিকিৎসা করা হচ্ছে এখানে। কোন কোন ক্লিনিকে ভুয়া ডাক্তার অস্ত্রোপচার পর্যন্ত করে। মেডিক্যাল কলেজ থেকে ডাক্তারী সার্টিফিকেট না নিয়ে তারা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে রোগী দেখছেন। দালালরা রোগীদের বুঝিয়ে ভুয়া বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের কাছে নিয়ে যায়।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশে রোগ নির্ণয়ে ভুল করছে দেশের নামিদামি ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা ক্লিনিকগুলো। ভুল পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণে অনেক রোগী অকালে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। ভুল প্যাথলজিক্যাল টেস্ট থেকে ডাক্তারের আত্মীয়স্বজনরাও নিরাপদ নয়। ভুল পরীক্ষা-নিরীক্ষার কারণে রোগী ও তার পরিবার শারীরিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
এদিকে, ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো (রোগ নির্ণয় কেন্দ্র) সরকারি বিধিনিষেধ না মেনে রোগ নির্ণয় করে যাচ্ছে। জনসাধারণের রোগ নির্ণয়ে রক্ত, প্রস্রাব, মলসহ এক্সরে প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে প্রতিষ্ঠানের অশিক্ষিত ও অদক্ষ জনবল দিয়ে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে আসা লোকজনের সরলতাকে পুঁজি করে প্রতিষ্ঠানগুলোর নামকরা চিকিৎসকের ভুয়া স্বাক্ষর ও সিল ব্যবহার করে রিপোর্ট দিয়ে থাকে। এতে সুফল পায় না রোগীরা।
তাদের বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ, রি-এজেন্ট কেমিক্যাল ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে।
অভিযোগ আছে, যে ডাক্তার ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী পাঠান তাকে শতকরা হারে একটা কমিশন দিতে হয়। প্যাথলজি পরীক্ষার জন্য সরকারিভাবে নির্ধারিত কোন ধরনের মূল্য তালিকা না থাকায় রোগীদের কাছ থেকে উচ্চমূল্য আদায় করছে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো।
প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া চিকিৎসক, ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো এসব চালিয়ে আসছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোগ নির্ণয় বাংলাদেশে এখন বড় চ্যালেঞ্জ। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কোন নীতিমালা মানা হচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে সরকারি কোন তদারকি নেই বলে অভিযোগ আসছে। ল্যাব টেকনিশিয়ান দিয়ে ক্লিনিকগুলো রিপোর্ট তৈরি করায়। ডাক্তারদের যোগসাজশে রিপোর্ট তৈরি করা হয়। সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের সম্মতি নিয়ে ওই চিকিৎসকের সিল-স্বাক্ষর দিয়ে দেয় ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো। এভাবে তারা রোগীর পরীক্ষা-নিরীক্ষার রিপোর্ট তৈরি করে থাকে।
ক্যান্সার বলে স্তন কাটতে যাচ্ছিল ডাক্তাররা:
ক্যানসারের চিকিৎসা হিসেবে ফিরোজা খাতুনকে দেয়া হয় ক্যামোথেরাপি। প্রস্তুতি নেয়া হয় স্তন কেটে ফেলে দেয়ার। একে একে চারটি ক্যামোথেরাপি দেয়ার পর স্বজনদের পরামর্শে তিনি ভারত যান। সেখানে ডাক্তারের কাছে গেলে তারা তাকে নিয়ে গবেষণা করেন। নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে জানানো হয়- আপনার ক্যানসার হয়নি। আপনি সুস্থ আছেন। এ সংবাদ পেয়ে কি করবেন ফিরোজা? দেশে যে ডাক্তাররা ক্যামো দিয়েছেন তাদের কথা বিশ্বাস করবেন, নাকি ভারতের ডাক্তারের কথা? ক্যানসার না হওয়া সত্ত্বেও তাকে যে ক্যামোথেরাপি দেয়া হয়েছে এর কি হবে? তার শারীরিক কোন ক্ষতি হবে না তো? নানা দুশ্চিন্তায় ফিরোজার ঘুম হারাম। এভাবেই কেটে গেছে তিনটি বছর। ফিরোজা এখন সম্পূর্ণ সুস্থ। কিন্তু তাতে কি? পেশায় একজন শিক্ষক ফিরোজার ঘুম হারাম হয়ে যায় অন্য কারণে। তার কথা- না জানি আমার মতো কত মানুষ ভুল পরীক্ষায় অকালে জীবন হারাচ্ছে। কিংবা অপারেশন করে অঙ্গ হারাচ্ছে। এভাবে চুপ থাকলে তো আরও মানুষের ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই তিনি এলেন মানুষকে সচেতন করতে। ভুল চিকিৎসার ফাঁদে যেন কেউ না পড়েন সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ করতে।
ফিরোজা বেগমের বাড়ি মেহেরপুর গাংনী উপজেলার কাজীপুরে। ২০১২ সালের মার্চ মাস। তার জীবনের এক উল্লেখযোগ্য সময়। বলেন, আজও সেই কথা মনে করলে ঘুম আসে না। দেশের নামিদামি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর বলা হয়েছে, আপনার ডান পাশের স্তনে ক্যানসার ধরা পড়েছে। কথা শুনে আঁতকে উঠলাম। জীবিত ফিরোজা মৃত হয়ে গেলাম। তিনি বলেন, স্লাইড পরীক্ষায় মেডিনোভা ও আনোয়ারা মেডিক্যাল সার্ভিসেস নামের দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকেই ক্যানসার থাকার কথা বলেছিল। এরপর একটি নয়, দুটি নয়, চারটি ক্যামোথেরাপিও দেয়া হয় আমাকে। প্রস্তুতি চলে অপারেশনেরও। ডাক্তাররা বললেন, অপারেশন করে স্তন ফেলে দেবে।
কিন্তু অপারেশন করার আগে ভারতে যাওয়ার পরামর্শ দেন আত্মীয়স্বজনরা। স্বজনদের কথায় ভারতের কলকাতায় পাড়ি দেন তিনি। ওখানেও বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করান ডাক্তাররা। কিন্তু এসব পরীক্ষায় ক্যানসারের কোন উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। এরপর কলকাতার ‘ক্যানসার সেন্টার ওয়েলফেয়ার হোম অ্যান্ড রিসার্স ইনস্টিটিউট’-এর চিকিৎসকরা বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্ট ও স্লাইড (অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে পরীক্ষার জন্য যে কাচখণ্ডের উপর কোন কিছু স্থাপন করা হয়। যেমন-রক্ত, ইউরিন, টিসু) দেখতে চান। এগুলো বাংলাদেশ থেকে সরবরাহ করা হয়। সেগুলোও পরীক্ষা করেন দেশটির ডাক্তাররা। তাতেও কোন ক্যানসারের নমুনা পাননি ভারতীয় ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা।
অর্থাৎ বাংলাদেশের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বলা হয়েছে ক্যানসার আছে, ভারতের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় বলেছে ক্যানসার নেই।
ফিরোজার প্রশ্ন, তাহলে কেন তাকে মৃত্যুর কোলে ঠেলে দিয়েছিল ডায়াগনস্টিকগুলো। চার হাজার টাকা ফি’র বিনিময়ে কেন তারা আগাম মৃত্যুর পরোয়ানা দিয়েছিল তাকে?
এতে তার শারীরিক, মানসিক ও আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্যামো দেয়ার পর তার চুলপড়া সহ বিভিন্ন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল। গত তিন বছরে আস্তে আস্তে তা কাটিয়ে উঠেছেন তিনি।
বর্তমানে স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন। শিক্ষক ফিরোজা বলেন, তিনি বিষয়টি মিডিয়ায় প্রকাশ করতে আগ্রহী ছিলেন না। তবে চিন্তা করে দেখেন, বিষয়টি গোপন রাখলে হয়তো আরও অনেক মা-বোনের ক্ষতি হতে পারে। এ ভেবে তিনি বিষয়টি প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেন।
শুধু ফিরোজাই নয়, সমপ্রতি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান দেশের বড় একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত এক পুরুষ কর্মকর্তা। সেখানে তিনি তার রক্ত পরীক্ষা করান।
ওই ব্যক্তির সঙ্গে তার অফিসে আলাপকালে তিনি জানান, দেশের ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর অনেক রিপোর্টই ভুল। তারা নিজেরা দক্ষ লোকবল দিয়ে এসব পরীক্ষা করায় না। ল্যাব টেকনিশিয়ান কখনও বা ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট লেখান। তার নিজের রক্তের পরীক্ষায় ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারটি ভুল রিপোর্ট দিয়েছে উল্লেখ করেন তিনি।
এই কর্মকর্তা জানান, রিপোর্টে তাকে গর্ভবতী হিসেবে মন্তব্য করে সংশ্লিষ্টরা। পরে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার কর্তৃপক্ষ তাদের ভুল স্বীকার করে আবার ভুক্তভোগীর রক্ত পরীক্ষা নিতে চায়। তাতে আর আগ্রহ দেখাননি ওই কর্মকর্তা।
আরেক রোগীর রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ই ভুল করেছে ধানমন্ডির প্যানকেয়ার নামের আরেকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। আহমেদের জীবনে এটি ঘটে ২০০৮ সালে। শিশু রোগীটি ডাক্তারের স্বয়ং ভাগ্নে। ওই ডাক্তার নিজেই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে এই প্রতিবেদককে জানান, প্রথমে রোগীর রক্তের গ্রুপ ‘এ’ পজেটিভ বলে নির্ণয় করে প্যানকেয়ার হাসপাতাল।
শিশুটির বাবা-মা’র রক্তের সঙ্গে মিল খুঁজে না পেয়ে সন্দেহ জাগে ডাক্তারের। তখন তিনি পাশে ডিফাম নামের আরেকটি হাসপাতালে যান। তাতে রক্তের গ্রুপ আসে ‘বি’ পজেটিভ। এরপর তিনি ইবনে সিনায় একই পরীক্ষা করালে ‘বি’ পজেটিভ হিসেবে শিশুটির রক্ত গ্রুপ নির্ণীত হয়। তাতে ডাক্তারের সন্দেহ কাটে এবং তিনি তার রক্তের গ্রুপ সম্পর্কে নিশ্চিত হন।
ফিরোজার রিপোর্টে কি আছে: ভারতের কলকাতার ‘ক্যানসার সেন্টার ওয়েলফেয়ার হোম অ্যান্ড রিসার্স ইনস্টিটিউট’-এর এফএনএসি রিপোর্টে বলা হয় রোগী মিসেস ফিরোজা খাতুনের ক্যানসার হয়নি। ২০১২ সালের ২১শে জুন, ওই ইনস্টিটিউটের (প্যাথলজি ইনচার্জ) ডা. শ্রাভস্তি রায় (এমডি, প্যাথ) স্বাক্ষরিত রিপোর্টে বলা হয় তার কোষে কোন ক্যানসার পাওয়া যায়নি। আরেকটি রিপোর্টেও ক্যানসার পাওয়া যায়নি বলে ভারতীয় ডাক্তাররা জানিয়েছেন রোগীর স্বামীকে।
বাংলাদেশে ২০১২ সালের ২৯শে মার্চ আনোয়ারা মেডিক্যাল সার্ভিসেস সাইটোলজি রিপোর্টে বলা হয়, টিউমার সেলের উপস্থিতি দেখা গেছে। স্তন ক্যানসারের সঙ্গে প্রাথমিক পর্যায়ে এই টিউমার সামঞ্জস্যপূর্ণ। তাদের ডিএক্স রিপোর্টেও বলা হয় ক্যানসার আছে।
এ রিপোর্টটির স্বাক্ষর স্থলে বাংলাদেশের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার রিসার্স অ্যান্ড হাসপাতালের হিস্টোপ্যাথলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফার নাম রয়েছে।
৩১শে মার্চ মেডিনোভার এফএনএসি রিপোর্টে স্তন ক্যানসার খুবই সন্দেহজনক দেখা গেছে। বায়োপসি করার পরামর্শ সংশ্লিষ্টদের। রিপোর্টগুলো দেশের বিশেষজ্ঞদের দিয়ে পর্যালোচনা করে একই মন্তব্য পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে আনোয়ারা মেডিক্যাল সার্ভিসেস-এর সঙ্গে যোগাযোগ করলে অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, তারা শুধু সাইটোলজি রিপোর্ট দিয়েছেন মাত্র।
মেডিনোভার ম্যানেজার (এডমিন) নাসির ওয়াকার এই প্রসঙ্গে বলেছেন, তিন বছর আগের ঘটনা হওয়ায় ডাটা বেইজে এই রোগীর নাম পাওয়া যায়নি।


