কোরবানি এলেই বেড়ে যায় প্রয়োজনীয় পশু খাদ্য আর ভ্যাকসিনের দাম, যার ফলে বেড়ে যায় পশু লালন পালন ব্যয়। খামারিদের দাবি, ব্যয় বাড়লেও বাজারে গিয়ে সে তুলনায় পশুর ভালো দাম পান না তারা। এর সঙ্গে এ বছর ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কোরবানির পশুর দাম বাড়ারও আশঙ্কা করছেন তারা। তবে সাময়িক এ সংকট কাটিয়ে দীর্ঘমেয়াদী সুফল পেতে আমদানি নির্ভরতা কমানোর সঙ্গে পশু উৎপাদনে দেশের কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে সরকারের প্রতি পরামর্শ প্রাণি বিশেষজ্ঞদের।
ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ হওয়ার প্রেক্ষিতে বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে আশার আলো দেখছেন দেশের পশু খামারিরা। তারা বলছেন, গত কয়েক বছরে আশানুরূপ লাভ করতে না পারায় ধারাবাহিকভাবে দেশে খামারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কমেছে গবাদি পশু পালনের পরিমাণও। যার ফলে স্বাভাবিক সময়ের সঙ্গে কোরবানির বাজার ও নির্ভরশীল হয়ে পড়ে বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা পশুর ওপর।
প্রতিবছর কোরবানি মৌসুমে সত্তর থেকে আশি লাখ পশু জবাই হয় দেশে, যার মধ্যে বেশিরভাগই গরু আর ছাগল। প্রাণি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ দেশীয়ভাবে উৎপাদিত পশু, আর বাকিটা আমদানি নির্ভর। তাই স্থায়ীভাবে আমদানি বন্ধ হলেও তাতে বিশেষ কোন ক্ষতি হবে না বলেই মনে করছেন তারা। তারা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি সুফল পেতে স্থানীয়ভাবে গরু, ছাগল মোটাতাজাকরণ প্রকল্পে সরকারিভাবে অর্থায়নের পাশাপাশি দরকার বেসরকারি উদ্যোগও।
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


