চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও একটি ফ্রি ট্রেড জোন গড়তে শুরু হচ্ছে কর্মযজ্ঞ। পাশাপাশি মাতারবাড়িতে জাপান তৈরি করতে যাচ্ছে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। সিংগাপুরের সাথে জয়েন্ট ভেঞ্চারেও নির্মাণ করা হবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এরই মধ্যে জমি অধিগ্রহণসহ সংশ্লিষ্ট কাজ এগিয়েছে অনেকটা। প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব জানান, কক্সবাজার হবে আগামী দিনের হংকং কিংবা সিঙ্গাপুর থেকেও আধুনিক।
কক্সবাজার থেকে মহেশখালী দ্রুত যাবার একমাত্র উপায় স্পীড বোট। স্থানীয়দের বেশিরভাগেরই পেশা মাছ ধরা। পানিতে লবণের পরিমান বেশি হওয়ায় এখানকার জমিতে খুব একটা বেশি ফসলও ফলে না।
তবে মহেশখালী সাগরের খুব কাছে হবার কারণেই বেজা এখানে নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে চারটি অর্থনৈতিক অঞ্চল ও একটি ফ্রি ট্রেড জোনের। যেখানে কক্সবাজার ফ্রি ট্রেড জোনের জন্য ৮৭৮৪ একর, মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল ১ – ১৪৩৮ একর, মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল ২ – ৬৭৬ একর, মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল ৩ – ৮২৭ একর, মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল ৪ – ১০০০ একর জমি নির্ধারণ করা হয়েছে।
স্থানীয় জনসমর্থন, কম প্রাকৃতিক দুযোর্গ প্রবণ এলাকা, ও ধানি জমি না হওয়ার মতো বেশ কিছু কারণে এই স্থানগুলোকে বেছে নিয়েছে বেজা। উন্নত দেশের মতোই মহেশখালী ও কক্সবাজার, পুরো অঞ্চলকে সমুদ্র বন্দর কেন্দ্রিক শহরের নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব।
এতগুলো অর্থনৈতিক জোনের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতেই মাতাবাড়ীতে নির্মাণ করা হচ্ছে ১২০০ মেগাওয়াটের কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। সরকারের বিশাল এই কর্মযজ্ঞ বাস্তবায়ন করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নিজেদের প্রস্তুতির কথা জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক,চট্টগ্রাম
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


