হাসপাতালে ঢুকে রোগীর বেডের পাশে থাকা ব্যবস্থাপত্রে নিজ কোম্পানির ওষুধ লেখার অভিযোগে অপসোনিন কোম্পানির এক এরিয়া ম্যানেজার ও সেলসম্যানকে আটক করেছিল পুলিশ। তবে বেশিক্ষণ তাদের থানায় থাকতে হয়নি। গত মঙ্গলবার সকালে ঢামেক হাসপতালের এ ঘটনায় ওই রাতেই তাদের মোটা অংকের টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে ২০১ নম্বর ওয়ার্ডের ১৭ নম্বর বেডে ১৫ দিন ধরে চিকিৎসাধীন সুজনের ব্যবস্থাপত্রে অপসোনিন কোম্পানীর সেলস ম্যান মাহমুদুল হাসান তাদের কোম্পানীর ওষুধ লিখে দেন। এছাড়া পাশের বেডের আরেক রোগী হেলালের ব্যবস্থাপত্রেও একই কাজ করেন তিনি। তার সঙ্গে ওই কোম্পানীর এরিয়া ম্যানেজার মোহাব্বতও ছিলেন।
চিকিৎসাধীন হেলালের কাছে আসা স্বজনদের নজরে আসে বিষয়টি। তারা ওই ব্যবস্থাপত্রে লিখতে দেখে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে জানান। পরে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ওই দু’জনকে শাহাবাগ থানার এসআই সুব্রত’র হাতে তুলে দেন। কিন্তু কোনও আইনী ব্যবস্থা ছাড়াই রাতে নগদ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন সুব্রত।
টাকা দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে সেলসম্যান মাহমুদুল বলেন, ভাই এটা অন্যায় কাজ আমরাও বুঝি। আমাদের বিক্রি বাড়ানোর জন্য মাঝেমধ্যে করতে হয়। সেদিনের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই কর্মকর্তাকে নগদ ৩০ হাজার টাকা দিয়ে রাতে ছাড়া পান বলে জানান।
তবে তার এ কথা অস্বীকার করেছেন এসআই সুব্রত। তিনি বলেন, কোন টাকা পয়সার লেনদেন হয়নি। কেন তাদের ছেড়ে দেয়া হলো এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ওই দুই রোগীর কেউই কোন অভিযোগ করেনি। তাই ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।


