জামিনে মুক্তির পরও জীবনশঙ্কায় ভুগছেন প্রবীণ সাংবাদিক প্রবীর সিকদার। মুক্তির পর নিজ অফিসে কথা বলার সময় এমনটাই জানান তিনি।তিনি মনে করেন, এমন আইন থাকা উচিৎ নয়, যা মানুষের বাক স্বাধীনতাকে হরণ করে। গত ১০ আগস্ট নিজের ফেসবুকে প্রাণহানির আশঙ্কা করে স্ট্যাটাস দেন একাত্তরের শহীদ পরিবারের সন্তান ও সাংবাদিক প্রবীর শিকদার।
‘আমার জীবন শঙ্কা তথা মৃত্যুর জন্য যারা দায়ী থাকবেন’ এমন শিরোনামে স্ট্যাটাসের জের ধরে রোববার ঢাকা থেকে আটকের পর মধ্যরাতে নিয়ে যাওয়া হয় ফরিদপুর কোতয়ালি থানায়।
তথ্য প্রযুক্তি আইনে ফরিদপুরের এক আইনজীবীর দায়ের করা মামলায় মঙ্গলবার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। কিন্তু রিমান্ডের মেয়াদ শেষের দুদিন আগেই জামিনে মুক্তি পান এই সাংবাদিক। ফিরে এসে যোগ দেন তেজগাঁও উত্তরাধিকার ৭১ এর নিজ অফিসে।
এসময় তিনি বলেন, ‘রাজাকারবিরোধী লেখালেখির জন্য এক বছর আগে আমাকে টেলিফোনে হুমকি দেয়া হয়। এছাড়া বিভিন্ন সময় ওসির রুমে নিয়ে গিয়ে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। চোখ বেধে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আমি যেন সারাজীবন জেলে থাকতে পারি তার জন্য একটা ব্যবস্থা করা হবে এই রকম নানা হুমকিও দেয়া হতো।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মুক্তির বিষয়ে তার পরিবার থেকে কারো সাথে যোগাযোগ করা হয়নি। এখনো প্রাণনাশের আশঙ্কা করেন ভুক্তভোগী এই সাংবাদিক। তবে, যে আইন মানুষের বাক স্বাধীনতা হরণ করে তেমন আইন থাকা উচিত নয় বলেই মন্তব্য প্রবীর শিকদারের।
নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


