সাইবার ক্রাইম রোধে নতুন একটি আইন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে জনমনে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেটির যৌক্তিকতাও খতিয়ে দেখবে সরকার। জানিয়েছেন, আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক
শনিবার রাজধানীর বাড্ডার বেরাইদ এলাকায় এক নৌকা বাইচের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। বেরাইদ ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে বালু নদীতে এ নৌকা বাইচের আয়োজন করা হয়।
বেরাইদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাবেক মন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবিএম তাজুল ইসলাম, আপিল বিভাগের বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী, ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য একেএম রহমত উল্লাহ এবং র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
সাইবার ক্রাইম কি?
সাইবার অপরাধ’ বলতে মূলত ইন্টারনেট এবং কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধকে বুঝানো হয়। সাইবার ক্রাইম বা অপরাধ আমাদের বাংলাদেশে নতুন কিছু নয়। একটি প্রচলিত ভুল ধারণা হল, শুধুমাত্র নারীরাই সাইবার ক্রাইমের শিকার হয়। কিন্তু সাইবার অপরাধের অনেক প্রকার রয়েছে এবং নারী পুরুষ নির্বিশেষে যে কেউ এই অপরাধের শিকার হতে পারেন।
সাইবার অপরাধসমূহ:
সাইবার অপরাধের মাঝে রয়েছে –
ভাইরাস আক্রমণ
ম্যালওয়্যার স্প্যামিং (malware spamming)
ভুয়া পরিচয়ে মেইলে বা ফোনের মাধ্যমে কোন চক্রে
ফাঁসানো
ইমেইল বা ব্লগ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে হুমকি দেয়া
কারো নামে সোশাল মিডিয়াতে/ ওয়েবসাইটে বা
ব্লগে মিথ্যা প্রচারণা চালানো
ক্র্যাকিং – ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি
লগ ইন অ্যাকসেস চুরি
ব্যালেন্স ট্রান্সফারের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ
ইন্টারনেটে মাদক বা অবৈধ কিছুর ব্যবসা করা
পাইরেসি- সদ্য প্রকাশিত গান ও সিনেমার এমপিথ্রি বা
মুভি ফাইল প্রচার করা
কপিরাইট – কারও নিজস্ব লেখা বা ছবি নিজের বলে
প্রচার করা
পর্ণোগ্রাফি
ওয়েবসাইট বা ই মেইল হ্যাক করা
কাউকে ব্ল্যাকমেইল করা ইত্যাদি।
বাংলাদেশে সাইবার অপরাধের চিত্র: বাংলাদেশে মূলত সাইবার অপরাধের শিকার হয় নারী এবং মেয়ে শিশুরা। নারী এবং শিশু পর্ণোগ্রাফি মারাত্মক আকারে ছড়িয়ে পড়ছে। ইন্টারনেট ব্যবহার
করে বা মোবাইলের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি এবং ভিডিও ছড়িয়ে দেয়া হয় কিংবা ছড়ানোর কথা বলে হুমকি দেয়া হয়। এছাড়াও মোবাইলে ভুয়া ম্যাসেজ কিংবা কল করে প্রতারণার ঘটনা অহরহ ঘটছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কম।


