অচেতন অবস্থায় স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্ত্রীকে ফাঁসির দণ্ডাদেশ দিয়েছে রংপুরের একটি আদালত। পাঁচ বছরেরও বেশি আগে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল।
সোমবার বিকেলে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-১ এর বিচারক মো. রোকনুজ্জামান এ রায় দেন। এসময় আদালতে আসামি উপস্থিত ছিলেন।
২০১০ সালের ৪ এপ্রিল রাতে নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকায় জিবি সেন রোড এলাকায় ৪৫ বছর বয়সী স্ত্রী সুফিয়া বেগম তার স্বামী আহসানুল হক বেলালকে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ায়। এতে ৫০ বছর বয়সী স্বামী আহসানুল হক বেলাল অচেতন হয়ে পড়েন। এরপর ওই রাতেই সুফিয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে অচেতন স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করে। পরদিন সকালে সুফিয়া স্বামীর লাশ মাটি চাপা দিতে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে স্থানীয় লোকজন তাকে হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
২০১০ সালের ৬ এপ্রিল বেলালের বড় ভাই আসাদুল হক বুলবুল সুফিয়া বেগম ও মাদক বিক্রেতা হুমায়ুন কবিরকে আসামী করে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা করে।
মামলার তদন্ত করে কোতোয়ালী থানা পুলিশ আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত সুফিয়া বেগমকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং হুমায়ুন কবিরকে খালাস দেন।


