দিনদুপুরে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ পরিচয়ে ছিনতাই করে পালানোর সময় ৪ জনকে আটক করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় বুধবার দুপুরে তাদের আটক করে জনতা ও পুলিশ।
আটকরা হলেন- পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বেসচিক গ্রামের মৃত রাজ্জাকের ছেলে ফারুক(৪২), একই উপজেলার সোনাখালী গ্রামের ইউনুস মিয়ার ছেলে জুয়েল (৩০) ও গাজীপুরের জয়দেবপুর উপজেলার পশ্চিম এনায়েতপুরের সাইফুল ইসলামের ছেলে সাইদ হোসেন (২৫) এবং বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার মহেষপুরের আজম আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর(৩৫)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১টার দিকে মধুপুরের আশ্রা বাজারের মেসার্স রিয়া ট্রেডার্সের মালিক আনোয়ার হোসেন এনসিসি ব্যাংক মধুপুর শাখা থেকে ৬ লাখ টাকা উত্তোলন করে মোটরসাইকেলযোগে ফিরছিলেন। টাঙ্গাইল-মযমনসিংহ সড়কের বিপ্রবাড়ী এলাকা অতিক্রমের পর বিএডিসি ফার্ম এলাকায় পৌঁছলে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ৬/৭ জনের একটি দল মাইক্রোবাস নিয়ে তার গতিরোধ করেন।
গাড়ি থেকে ৩ জন নেমে ওই ব্যবসায়ীকে এলোপাতারি মারধর করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এ দৃশ্য দেখে আক্তার নামে এক ব্যক্তি মোবাইল ফোনে জলছত্র বাজার এলাকায় খবর দেন।
এদিকে, গাড়িটি জলছত্র বাজার ও অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়ি পার হওয়ার সময় জনতার বাধার মুখে পড়ে। পরে বাজার পার হয়ে বনের রাস্তা ধরে টেলকি এলাকায় গিয়ে আবারও জনতার বাধার মুখে পড়ে। এ সময় রফিক নামে এক ট্রাক চালক সহায়তায় ২ ছিনতাইকারী আটক হয়।
গণপিটুনি দিয়ে তাদের অরণখোলা পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পুলিশ বন এলাকা থেকে আরও ২ ছিনতাইকারীকে আটক করে নিয়ে আসে।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির ও এলাকাবাসী আবুল হাশেম বাংলানিউজকে জানান, এ সময় জনতা পুলিশের গাড়ির ওপর হামলে পড়লে উপায় না দেখে পুলিশ ৪/৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলি নিক্ষেপ করে।
তবে ফাঁকা গুলির কথা অস্বীকার করেছেন মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম। আরো বলেন, ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া ছিনতাইকৃত ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।


