বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এই নির্মাতার ‘দ্য স্টোরি অব সামারা’ নির্মাণের শুরু থেকে বেশ আলোচনা তৈরি করে। রিকিয়া মাসুদো একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘সিনেমাটি হবে বাংলাদেশের প্রথম হরর চলচ্চিত্র। এই ধাঁচের সিনেমা বাংলাদেশে এর আগে হয়নি। ভিন্ন কিছু থাকবে সিনেমাটিতে।’
সিনেমা নির্মাণের শুরুর দিক থেকেই প্রযোজকের সঙ্গে পরিচালকের দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বরাবরই এড়িয়ে গেছেন রিকিয়া। কিন্তু সিনেমা মুক্তির আগে তা চরম আকার ধারণ করে। তাই শেষ মুহূর্তে পরিচালকের উপস্থিতি ছাড়াই মুক্তি পেল ‘দ্য স্টোরি অব সামারা’।
প্রযোজক জানে আলম খানেরও অভিযোগ রয়েছে পরিচালকের প্রতি। তিনি বলেন, ‘নির্দিষ্ট সময়ে রিকিয়া মাসুদো সিনেমাটি নির্মাণে ব্যর্থ হয়েছেন। ফলে আমাকে অতিরিক্ত বাজেট দিতে হয়েছে। সিনেমাটি আরও কয়েক মাস আগেই মুক্তি পেতে পারত। রিকিয়ার অবহেলার জন্যই সেটা হয়নি।’
এ দিকে রিকিয়া বলেন, ‘আমাকে কাজের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত স্বাধীনতা দেওয়া হয়নি। ভাল কিছু করতে গেলে একটু সময় দিতে হয়। সিনেমাটির দৃশ্যধারণের পরপরই আমাকে এই প্রকল্প থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।’
‘দ্য স্টোরি অব সামারা’য় অভিনয় করেছেন এটিএম শামসুজ্জামান, কাবিলা, জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, সিবা আলী খান, সাঞ্জু, আমান খান, ইমু ও শিমুল খান প্রমুখ। সারাদেশের ৫০টিরও বেশি হলে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।
যে কোনো চলচ্চিত্র মুক্তির আগে প্রচারণায় ব্যস্ত থাকেন নির্মাতা ও কলা-কুশলীরা। শুক্রবার মুক্তি পেল রিকিয়া মাসুদো পরিচালিত ‘দ্য স্টোরি অব সামারা’। সিনেমা মুক্তির আগে তেমন কোনো প্রচারণা চোখে পড়েনি। চলতি মাসের শুরুর দিকে রাজধানীতে কিছু পোস্টার দেখা গেলেও মুক্তির আগে নতুন কোনো পোস্টার দেখা যায়নি।
এর কারণ হিসেবে জানা যায় ‘দ্য স্টোরি অব সামারা’ মুক্তির আগে পরিচালকের সঙ্গে প্রযোজকের মনোমালিন্য তৈরি হয়েছে। সিনেমার পোস্ট প্রডাকশনে ছিলেন না বলে দাবি করেন থেকে রিকিয়া মাসুদো। অভিযোগ তাকে সিনেমা থেকে বাদ দিয়েছেন প্রযোজক। রিকিয়া মাসুদো বর্তমানে জাপানে রয়েছেন।


