আওয়ামী লীগ বহিস্কৃত দলটির নেতা লতিফ সিদ্দিকী এবং অপসারন হওয়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী জাতীয় সংসদে নাটুকে বক্তব্য দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। অবশ্য পদত্যাগ ছাড়া তার আর কোনো উপায়ও ছিল না। বক্তব্যে তিনি নিজেকে তার বক্তব্যে একজন সাচ্চা মুসলমান, বাঙ্গালি ও আওয়ামী লীগার হিসেবে পরিচয় দেন। তিনি বলেন, আমি ধর্মীয় বিরোধী নই। মাগরিবের বিরতির পরই লতিফ সিদ্দিকী সংসদের অধিবেশনে যোগ দেন ও তার নিজের অবস্থানের ব্যাখ্যা দেন।
তিনি বলেন, সবার আগে ঠিক করতে হবে রাজনৈতিক সংস্কৃতি কি হবে। বাঙালি আত্মপরিচয়ের সড়ক ঘোষণায় স্কুল ও কলেজ জীবনে চারবার বহিস্কার হতে হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে স্পিকারের কাছে তার পদত্যাগ পত্র জমা দেবেন তিনি।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি অধিবেশন কক্ষে প্রবেশ করেন। তিনি কারো সঙ্গে কথা না বলে নিজ আসনে গিয়ে বসেন। এ সময় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজসহ সংসদের সিনিয়র সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে গতবছর ১৯ সেপ্টেম্বর লতিফ সিদ্দিকী হজ ও ধর্ম সম্পর্কে আপত্তিকর উক্তি করার পর আওয়ামী লীগ তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আগেই তিনি মন্ত্রীত্ব হারান লতিফ সিদ্দিকী। প্রধানমন্ত্রীর পুত্র ও তার তথ্য উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে আপত্তিকর উক্তি করেন লতিফ। এরপর তিনি ভারত হয়ে দেশে ফেরেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করা হয় ধর্মীয় অনুভ‚তিতে আঘাত হানার জন্যে। কারাগারে যেতে হয় তাকে। এরপর নির্বাচন কমিশনে যেয়ে লতিফ সিদ্দিকী সর্বশেষ সংসদ সদস্য থেকে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।


