স্কুল থেকে নাতনিকে নিয়ে বাসায় ফেরা হলো না দাদি আঙ্গুরা বেগমের (৭০)। নাতনিকে নিয়ে রাস্তা পারাপারের সময় একটি ঘাতক বাস এসে তার প্রাণ কেড়ে নেয়। এ সময় নুসরাত (৬) নামে দয়াগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণীর ওই ছাত্রীও গুরুতর আহত হয়েছে।
রাজধানীর দয়াগঞ্জ মোড়ে বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ এ ঘটনায় দায়ী চালকসহ বাসটিকে আটক করেছে।
পথচারী রাফিউল ইসলাম জানান, দয়াগঞ্জ মোড়ে দাদি আঙ্গুরা বেগম ও নাতনি নুসরাত একসঙ্গে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় একটি যাত্রীবাহী বাস এসে তাদেরকে ধাক্কা দিলে দুজনই গুরুতর আহত হন। উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে আঙ্গুরা বেগম মারা যান। পরে শিশুটিকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঢামেক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহত শিশুটি শঙ্কামুক্ত। তবে সে গুরুতর আঘাত পেয়েছে।
শিশুর মা রুমা আক্তার জানান, নুসরাত দয়াগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে পড়ে। প্রতিদিনের মতো স্কুল ছুটি শেষে তার দাদি তাকে ৫ নম্বর উত্তর যাত্রাবাড়ীর বাসায় নিয়ে ফিরছিলেন। কিন্তু দয়াগঞ্জ মোড়ে একটি বাস এসে তাদের ধাক্কা দিলে শিশুটির দাদা মারা যান।
গেন্ডারিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বি এম আজম সুলতান জানান, দুর্ঘটনার শিকার আঙ্গুরা বেগমের লাশের ময়না তদন্তের জন্য লাশ ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় দায়ী চালকসহ বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে তিনি বাস ও চালকের নাম জানাতে পারেননি।
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নিউজওয়ার্ল্ড বিডি ডটকম।


