ঢাকা দিনাজপুর মহাসড়কের রংপুর অংশের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। এসব গর্তের কারণে যানবাহন চলাচলে একদিকে যেমন নেমে এসেছে চরম দুর্ভোগ, অন্যদিকে ঘটছে দুর্ঘটনাও। সড়ক ও জনপথ বিভাগ ইট, বালু এবং খোয়া ফেলে গর্ত ভরাটের চেষ্টা চালালেও বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে মুছে আবারও ফিরে আসছে আগের রূপে। যাত্রী এবং চালকরা বলছেন, ঈদের আগে স্থায়ীভাবে সংস্কারের ব্যবস্থা করা না হলে পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করবে।
খানাখন্দে ভরা রংপুরের মহাসড়ক। আর এ সড়কেই প্রতিদিন চলছে শত শত ভারি যানবাহন। ঈদকে সামনে রেখে শুরু হবে ঘরে ফেরা মানুষের চাপ। বাড়বে যানবাহন, ব্যস্ত হবে মহাসড়ক। কিন্তু সড়কের এই বেহাল দশায় এখনই বিকল হয়ে পড়ছে গাড়ির যন্ত্রপাতি। এতে করে চিন্তিত চালক যাত্রী উভয়েই। চালকরা বলছেন, একটি গ্যাপ পার হলেই আরেকটি গ্যাপ। এতে গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লাগছে অনেক বেশি।
সড়কের এই বেহাল দশা দূর করতে প্রাথমিকভাবে সড়ক বিভাগ ইট, বালু আর খোয়া ফেলে চলাচলের উপযোগী করার চেষ্টা চালালেও ভারী যানবাহনের চাপ আর বৃষ্টিতে নিমিষেই ধুয়ে যাচ্ছে সে সব। সড়ক বিভাগ বলছে, অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণেই এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তবে কয়েকটা দিন টানা রোদ পেলে ঈদের আগেই স্থায়ীভাবে এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। রংপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘বৃষ্টির মধ্যে বিটুমিনের কাজ করা খুবই সমস্যা। যখনই আমরা শুষ্ক আবহাওয়া পাব তখনই সংস্কারের কাজ শুরু করব।’ রংপুর ঢাকা মহাসড়কের প্রায় ৮০ কিলোমিটার এলাকাজুড়েই এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


