শিক্ষক প্রসঙ্গে রাষ্ট্রের দুর্বল অবস্থানই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করেছে এমন মত দেশের অনেক শিক্ষাবিদের। তাদের মতে, সরকার মুখে শিক্ষকদের সম্মানের কথা বললেও, বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো মিল নেই, যার প্রমাণ অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো। যেখানে শিক্ষকদের সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলেই মনে করেন তারা। শিক্ষকদের সম্মান অক্ষুণ্ণ রেখে দ্রুত কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরামর্শ তাদের।
অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামোয় অন্তর্ভুক্তি ও নিজেদের পদমর্যাদা নির্ধারণে গত ১৪ মে থেকে আন্দোলন শুরু করেন দেশের ৩৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। মন্ত্রিসভায় গত সোমবার পে-স্কেল অনুমোদন এবং পরবর্তীতে শিক্ষক আন্দোলন নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এই আন্দোলন আরো বেগবান করে। শুধু তাই নয়, দাবি পূরণ না হলে, আগামী শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ রাখারও ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষকরা।
অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেলে শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে, এমন মন্তব্য শিক্ষাবিদদের। তাদের মতে, রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তহীনতাই শিক্ষকদের আন্দোলনে নামতে বাধ্য করেছে। যা দেশের সুষ্ঠু শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর। শিক্ষকদের বিষয়ে সরকার উদাসীন উল্লেখ করে শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া সরকারের উচিত হবে না। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সরকারের উচিত শিক্ষকদের দাবি পর্যালোচনা করে, শিগগিরই এ বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্তে পৌঁছানো এমনটাই পরামর্শ শিক্ষাবিদদের।


