আইনজীবী সহকারীদের পেশার স্বীকৃতি প্রদান করা হবে। বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারি সমিতির সদস্যদের উদ্দেশ্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার সকলের মর্যাদা দিতে চায়, আমি মন্ত্রী থাকা অবস্থায় আপনাদের মর্যাদার স্বীকৃতি দিয়ে যাব।’
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ আইনজীবী সহকারি সমিতির চতুর্থ মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে দেয়া বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, মামলা পরিচালনা করতে আইনজীবীরা যে ফি পান তার একটা অংশ তাদের সহকারীদের দেয়া উচিত। এতে তাদের কাজে আগ্রহ বাড়বে। তিনি বলেন, আইনজীবী সহকারিদের পেশার স্বীকৃতি প্রদানে শিগগিরই পদক্ষেপ নেয়া হবে। আইনজীবীর সহকারিদের স্বীকৃতি দেয়া হলে আদালতে অনিয়ম দূর করা সহজ হবে। সারাদেশে আইনজীবীর সহকারিদের তহবিলের জন্য ৫ লাখ টাকা অনুদান প্রদান করেন আইনমন্ত্রী।
এর আগে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। অনুষ্ঠানে আরো বক্তৃতা করেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, এডভোকেট আব্দুল বাসেত মজুমদার, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, আবদুল মতিন খসরু, এডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সুপ্রিমকোর্টে বার এর সম্পাদক ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, এডভোকেট বশির আহমেদ ও অল- ইন্ডিয়া ক্লার্ক আইনজীবী কার্যকরি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অশোক কুমার মন্ডল প্রমুখ। সংগঠনের সভাপতি মো. নুর মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হারুন আর রশিদ ভূঁইয়া। অনুষ্ঠানে সারাদেশের আইনজীবী সহকারিরা অংশ নেন।
খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার বিচার ব্যবস্থার ওপর হস্তক্ষেপ করছে না। দেশের বড় বড় সকল মামলার বিচার কাজ করে সরকার ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করছে। আইনজীবী সহকারিদের স্বীকৃতি দেয়া হলে আদালতে টাউট-বাটপারদের দৌরাত্ত্ব কমে আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, মামলা পরিচালনা করতে আইনজীবীরা যে ফি পান তার একটা অংশ সহকারীদের দেয়া উচিত। এতে তাদের কাজে আগ্রহ বাড়বে। আইনজীবীর সহকারিরা সৎ থাকলে আইনজীবীর জন্য কাজ করা সহজ হয়ে যায়। আইনজীবীরা প্রত্যেক মামলার ফি এর একটি অংশ সহকারিদের প্রদান করলে তাদের পক্ষে সৎ থাকাটা সম্ভব।
সম্মেলনে আইনজীবী সহকারীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে তাদেরকে পেশাগত স্বীকৃতিসহ মোট নয় দফা দাবি পাস করা হয়।


