বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

আসন্ন পিএসসি পরীক্ষা বর্জনের হুমকি প্রাথমিক শিক্ষকদের

10_324767টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহালসহ পাঁচ দফা দাবিতে এবার আসন্ন প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষা বর্জনের হুমকি দিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও একটি অংশ। এর আগে সোমবার এবং ১১ সেপ্টেম্বর এই একই ধরনের হুমকি দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষকদের আরও দুটি অংশ। নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে পিএসসি পরীক্ষা শুরুর কথা রয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুমকি দেয়া হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম তোতা।

প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আবুল বাসার, সহসভাপতি জুলফিকার আলী, যুগ্ম-সম্পাদক গাজীউল হক চৌধুরী ও আবুল কাশেম প্রমুখ এতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক পর্যন্ত সব শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রদান এবং সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির জটিলতা ১৪ অক্টোবরের মধ্যে নিরসন করতে হবে। নইলে পিএসসি পরীক্ষা বর্জনসহ কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে। তিনি দাবি আদায়ে এ সময় তিনদিনের কর্মসূচিও ঘোষণা করেন। এর মধ্যে আছে- ১৯ ও ২০ সেপ্টেম্বর দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি। ২১ সেপ্টেম্বর তারা পূর্ণ দিবস কর্মবিরতি পালন করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক দাবিগুলো তুলে ধরে বলেন, জাতীয় বেতন স্কেলে টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহাল রাখতে হবে। সহকারী শিক্ষক পদকে প্রবেশ পদ ধরে পরিচালক পর্যন্ত শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত প্রধান শিক্ষকদের উন্নীত স্কেলে বেতন নির্ধারণীর জটিলতা দ্রুত নিরসন করতে হবে।

এতে বলা হয়, বেতন কাঠামোর জটিলতায় ২০০৯ সাল থেকে সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি বন্ধ রয়েছে। এতে সারা দেশে হাজার হাজার প্রধান শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। এর ফলে বিদ্যালয়ে পাঠদান ও স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত বগুড়ার মোকামতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ফজলুর রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষক না থাকায় সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করায় অন্যরা তাকে মানেন না। ফলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এর আগে প্রায় একই দাবিতে ৫ অক্টোবর পর্যন্ত আলটিমেটাম দিয়েছেন শিক্ষকরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম

আরও পড়ুন