জাতিসংঘের ‘২০১৫ পরবর্তী টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা’ শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী সম্মেলন শুরু হচ্ছে ২৫ সেপ্টেম্বর। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানগণ এ সম্মেলনে জাতিসংঘ গৃহীত খসড়া প্রস্তাবনা সিদ্ধান্ত আকারে অনুমোদন করবেন। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে লক্ষ্য ও গৃহীত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বিভিন্ন করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করবে সদস্য রাষ্ট্রগুলো।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভায় যোগ দেয়ার আগেই ‘সুন্দর আগামী’র দিক নির্দেশনায় বিশ্বনেতারা মিলিত হবেন ‘২০১৫ পরবর্তী টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা’ শীর্ষক ৩ দিনব্যাপী সম্মেলনে। আশা করা হচ্ছে, জাতিসংঘের ১শ’ ৯৩টি রাষ্ট্রের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানগণ যোগ দেবেন এ সম্মেলনে। গত আড়াই বছর ধরে প্রস্তুত করা বাংলাদেশসহ নির্বাচিত জাতিসংঘের ৩০টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত ‘ওপেন ওয়ার্কিং কমিটি’র ‘২০১৫ পরবর্তী টেকসই উন্নয়ন’এ ১৭টি লক্ষ্য অর্জনের খসড়া অনুমোদন হবে এখানে।
এদিকে, আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কার্যকরী সভাপতি আইনার গুন্নার জানালেন, জাতিসংঘের এবারের অধিবেশন হবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই উন্নয়নে গণমাধ্যমের ভূমিকাও এবারের অধিবেশনে গুরুত্ব পাবে বলেও জানালেন তিনি। আর জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানালেন, ‘২০১৫ পরবর্তী টেকসই উন্নয়ন এজেন্ডা’তে ঢাকার সবগুলো প্রস্তাবনাই গৃহীত হয়েছে। দেশের অর্থ বিদেশে পাচারের বিরুদ্ধে এবং উন্নত দেশে শুল্কমুক্ত, কোটামুক্ত পণ্যের আমদানি নির্দেশনাসহ এবার জাতিসংঘে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসছে বলেও জানান রাষ্ট্রদূত মোমেন।


