বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

কালিহাতীর ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরও একজনের মৃত্যু

1442589481গত শুক্রবার বিকেলেধর্ষকের বিচার চেয়ে টাঙ্গালের কালিহাতীতে বিক্ষুব্ধ জনতার প্রতিবাদ কর্মসূচিতে পুলিশের গুলিতে আহত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুবেলের (১৯) মৃত্যু হয়। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা চার জনে দাঁড়ালো।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোজাম্মেল হক খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল সদরের দক্ষিণ কালিহাতী এলাকার বাসিন্দা নিহত রুবেল (১৯) টাঙ্গাইলের একটি টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিউটের ছাত্র ছিল। তার পিতা ফারুক হোসেন একজন দিনমজুর।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে তার মাথা ও পিঠ গুলিবিদ্ধ হয়। স্বজনরা জানান, রুবেলের নিজের ছোট একটি মোবাইল ফোনের দোকান ছিল এলাকায়। ঘটনার সময়ে দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরার পথে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

নিহতের খালাতো ভাই মাসুদ জানান, গুলিবিদ্ধ রুবেলকে প্রথমে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে একইদিন রাত সাড়ে ১১টায় ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়।

তিন ভাই এক বোনের মধ্যে রুবেল সবার বড় ছিলেন।

গত শুক্রবার বিকেলে ধর্ষকের বিচার চেয়ে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কে বিক্ষোভ বের করে ঘাটাইল ও কালিহাতী উপজেলার বিক্ষুব্ধ জনতা। পুলিশ এতে বাধা দিলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শটগানের গুলি ছুঁড়লে ১০ জন আহত হন। ঘটনার দিনই ৩ জন নিহত হন।

নিহতরা অন্য তিনজন হলেন- ঘাটাইল উপজেলার কালিয়া গ্রামের আলহাজের ছেলে শামীম (৩৫), কালিহাতী উপজেলার সাতুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা ফারুক হোসেন (৩২) ও একই উপজেলার সলঙ্গা গ্রামের রবি চন্দ্র দাসের ছেলে শ্যামল চন্দ্র দাস।

আরও পড়ুন