চট্টগ্রাম বন্দরে ভারতীয় রুপি আটকের ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হোসাইন আহমেদকে প্র্রধান করে এ কমিটি গঠন করা হয়। অপর দুই সদস্য হলেন, উপ-পরিচালক জাকির হোসেন ও সহকারী পরিচালক মোকাদ্দেস হোসেন।
কমিটিকে ঘটনার কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে তদন্ত করে ২৫ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দালিখ করতে বলা হয়েছে। এছাড়া চোরাচালান বন্ধে সুপারিশ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মঈনুল খান এসব তথ্য জানিয়েছে।
এদিকে একই ঘটনায় পাঁচজনকে আসামি করে নগরীর বন্দর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিরা হলেন- দুবাই থেকে আসা চালান খালাসের দায়িত্বে থাকা সিএন্ডএফ প্রতিষ্ঠান ফ্ল্যাশ ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের চেয়ারম্যান শামীমুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদউল্লাহ, ব্যবসায়ীক অংশিদার আহমদ উল্লাহ, গাড়ি চালক মো.কাউছার ও চালানটির মালিক শাহেদুজ্জামানের ছোট ভাই তৌহিদুল আলম। তাদের মধ্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদউল্লাহ যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোবারক হোসেন ওরফে মোবারক আলীর ছেলে।
গৃহস্থালী পণ্য ঘোষণা দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আনা একটি কন্টেইনারের চারটি কার্টনে ভারতীয় রুপি পাওয়ায় রোববার রাতে সেটি আটক করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। সোমবার বেলা ১২টা থেকে শুরু করে রাত ৮টায় গণনা শেষ হয়। এতে প্রায় পৌনে তিন কোটি রুপি পাওয়া যায়।
হাটহাজারী উপজেলার বাসিন্দা শাহেদুজ্জামান নামে এক দুবাই প্রবাসী চালানটি পাঠিয়েছেন। সেটি খালাসের দায়িত্বে ছিল সিএন্ডএফ এজেন্ট ফ্ল্যাশ ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল।


