বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

চোখ বেঁধে বন্দুক ঠেকিয়ে পায়ে গুলি: অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

পুলিশযশোরের মণিরামপুর উপজেলায় এক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, পুলিশ তাকে বেদম পেটানোর পর চোখ বেঁধে তার পায়ে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করেছে। তবে পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। বলেছে, ওই ব্যক্তি ডাকাতদলের সদস্য। ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে পুলিশ গেলে তাদের লক্ষ্য করে ডাকাতরা গুলি ছোড়ে। এসময় পুলিশ পাল্টা গুলি ছুড়েনি। পরে ডাকাতরা পালিয়ে গেলে ওই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

গুলিবিদ্ধ ওই ব্যক্তির নাম আকবর আলী (৩৮)। তিনি মণিরামপুর উপজেলার পাড়দিয়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

উপজেলার চালকিডাঙ্গা এলাকায় গতকাল সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে একটি নার্সারির পাশে আকবর আলী গুলিবিদ্ধ হন। তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আকবর আলী সাংবাদিকদের বলেন, রাত ১০টার দিকে মণিরামপুর সদরের রাজগঞ্জ মোড় থেকে দুই-তিনটি মোটরসাইকেলে করে সাদা পোশাকে কয়েকজন লোক তাকে ধরে মণিরামপুর থানায় নিয়ে যায়। সেখানে নেওয়ার পর কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে বেদম প্রহার করে। রাতে চোখ বেঁধে তাকে তারা অজানা স্থানে নিয়ে যান এবং বাম হাঁটুতে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করেন।

তবে আকবরের এই অভিযোগ অস্বীকার করে মণিরামপুর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাহেরুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযোগ সত্য নয়। অপরাধীরা এ রকম বলে। চালকিডাঙ্গা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে- এমন খবর পেয়ে গতকাল রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তারা সেখানে যাওয়ার পর ডাকাতদল পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। কিন্তু পুলিশ পাল্টা গুলি করেনি। পরে ডাকাতেরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে পায়ে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় আকবরকে আটক করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ওসি দাবি করেন, এ সময় আকবরের কাছ থেকে একটি বন্দুক ও দুটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।’

আকবরের বিরুদ্ধে মনিরামপুর থানায় ডাকাতি, মাদক ও ধর্ষণের চারটি মামলা রয়েছে বলে জানান ওসি তাহেরুল।

আরও পড়ুন