কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অপহরণের পর পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ডাক্তারি পরীক্ষায়ও ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। এদিকে, মামলা দায়ের হলেও এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।
নির্যাতিতার স্বজনদের অভিযোগ, বুধবার মধ্যরাতে, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের নিজ বাড়ি থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় স্থানীয় টনি ইসলাম ও তার সহযোগীরা। পরে স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তাকে ধর্ষণ করে বখাটেরা। পরে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। বৃহস্পতিবার ভোরে তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
প্রাথমিক পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার তাপস কুমার সরকার। তবে, এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিম বলেন, ‘আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে। আমরা আশা করছি খুব দ্রুত তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে পারবো।’
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে, দৌলতপুর থানায় টনি ইসলাম ও তার দু’সহযোগী উজ্জল ও ইউনুসকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতার মা।


