গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটনের ছোঁড়া গুলিতে শিশু আহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। শনিবার রাতে শিশুর বাবা বাদি হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর আগে, সন্ধ্যার দিকে সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটন তার লাইসেন্সকৃত দুটি অস্ত্র সুন্দরগঞ্জ থানায় জমা দেন।
এদিকে, সুশাসন ও প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জবাবদিহি না থাকায় ঘটছে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা। আর এর জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতাকেই দায়ী করছেন তারা।
শুক্রবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের ব্রাক মোড় এলাকায় গাড়ি থামিয়ে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী সৌরভকে ডাকেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটন। কিন্তু সৌরভ ডাকে সাড়া না দেয়ায় ক্ষুব্ধ সংসদ সদস্য তার পায়ে গুলি করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় সৌরভকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। পুলিশ বলছে, সংসদ সদস্য লিটনের লাইসেন্স করা অস্ত্র জব্দের প্রক্রিয়া চলছে। কিন্তু এখনো মামলা হলো না কেন এই প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি জেলার পুলিশ সুপার।
এদিকে বিশ্লেষকরা বলছেন, সুশাসনের অভাব, রাজনীতিতে সৎ, দক্ষ ও যোগ্য লোকদের ক্রমশ কোনঠাসা হয়ে পড়া এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই ঘটছে এসব ঘটনা ঘটছে বলে মত প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল ও সংবিধান ড. বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক। তারা আরও বলেন, আইন প্রণেতাদের বিরুদ্ধে যদি এ ধরনের ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ ওঠে তবে সেটি গোটা সমাজ ব্যবস্থায়ই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


