বহুজাতিক অপরাধ বিশেষ করে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বাংলাদেশের পদক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্র সম্মান করে। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেছেন, অবৈধ মানবপাচার ও মাদকপাচার রোধ এবং জলদস্যুবিরোধী বাংলাদেশ সরকারের নেয়া পদক্ষেপকে আমরা সম্মান করি। বাংলাদেশের এই পদক্ষেপ সন্ত্রাসবাদসহ বহুজাতিক অপরাধ মোকাবেলায় সাহায্য করবে বলে আমরা মনে করি। যুক্তরাষ্ট্র এসব পদক্ষেপকে স্বাগত জানায়। মানবপাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহের কথাও জানিয়েছেন বার্নিকাট।
রোববার কো-অপারেশন এ্যাফ্লোট রেডিনেস এন্ড ট্রেইনিং (কারাত)’২০১৫ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বার্নিকাট এ কথা জানান।
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘আমরা সব সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে চাই। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং পুরো ইন্দো এশিয়া প্রশান্তে মানবপাচার ও চোরাচালান কমিয়ে আনার কাজে আমরা কাজ করতে চাই।
বার্নিকাট বলেন, সমুদ্রের স্বাধীনতার অর্থ শুধু আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক নৌযান স্বাধীনভাবে চলতে পারা নয়। সমুদ্রের স্বাধীনতার অর্থ হচ্ছে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী সব ধরনের অধিকার, স্বাধীনতা ভোগ করা এবং আইন মেনে সমুদ্র ও আকাশপথে সামরিক জাহাজ ও বিমান ব্যবহার করা।
বঙ্গোপসাগরে ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর যৌথ সমুদ্র মহড়া। পাঁচদিনব্যাপী কারাত নামে এই মহড়া শেষ হচ্ছে রোববার। সমুদ্রসীমার নিরাপত্তায় সম্পর্কোন্নয়ন, অংশীদারিত্ব ও সহযোগিতা বৃদ্ধি এ মহড়ার অন্যতম লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন দুই দেশের নৌবাহিনীর কর্মকর্তারা।
সমাপনী অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, সামুদ্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আমাদের যে প্রতিশ্রুতি তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে কারাত। আমাদের দুই দেশের পারস্পরিক আগ্রহের ভিত্তিতে এটা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।


