সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক দীন মো. নূরুল হক বলেছেন, “কেন্দ্র থেকে কেউ প্রশ্নপত্র অনলাইনে দিলে সেটাকে ফাঁস বলা যাবে না। অধিদপ্তরের ডিজি হওয়া সত্ত্বেও প্রশ্নপত্রের (কনটেন্টের) সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই বলেও জানান তিনি।
রোববার দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে আযোজিত সংবাদ সম্মেলনে ডিজি আরও বলেন, “সকাল ১০টা বাজতে ১৫ মিনিট আগে আমরাই ৮৪ হাজার ছাত্র-ছাত্রীর নিকট প্রশ্ন ফাঁস করে দিয়েছি। প্রশ্ন দিয়ে দিয়েছি।”
হাজারের ওপরে কক্ষে পরীক্ষা হয় জানিয়ে তিনি বলেন, “এখানে কারো যদি কোনো অসৎ উদ্দেশ্য থাকে, প্রতিটা কক্ষে ১০ থেকে ১২টি বা তার থেকে অতিরিক্ত প্রশ্ন থাকে।
দীন মো. আরো বলেন, “আরেকটা হতে পারে, আজকাল মোবাইলে সাঁই সাঁই করে কয়েকটা ছবি তুলে ফেইসবুকে অনলাইনে দিয়ে দেওয়া যেতে পারে। পরেরদিন দিয়েও আগেরদিন শো করা যায়। ডিজিটাল সিস্টেমে সেটাও করা যায়। সেটা দেখতে হবে।”
যে সব এলাকায় প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে, সেই এলাকা থেকে ভালো মেডিকেলে চান্স পাওয়ার হার কম জানিয়ে তিনি বলেন, “রংপুর থেকে ঢাকা মেডিকেল, মিডফোর্ড ও সোহরাওয়ার্দীতে কম চান্স পেয়েছে। যেখানে যেখানে অভিযোগ উঠেছে, সেখানে সেখানে পারফরমেন্স পুওর।”


