বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

৩০ বছর পর ফুলদানি হল বোমা!

201510051820254177_Flower-vase-turned-out-unexploded-WWI-bomb-after-30-years_SECVPFপ্রতিদিন যত্ন করে ফুলদানিতে ফুল সাজাতেন ক্যাথরিন রাউলিনস। রঙবাহারি ফুলে সজ্জিত ফুলদানি দেখে মন ভালো হয়ে যেত তাঁর। কিন্তু, ঘুণাক্ষরেও বোধহয় ভাবেননি সেই ফুলদানি তাঁর ও তাঁর পরিবারের জন্য কতটা প্রাণঘাতী! টিভিতে যুদ্ধ সম্পর্কিত একটা ডকুমেন্টারি দেখে টনক নড়ল ক্যাথরিনের। ফুলদানি থুড়ি… ফুলদানির মোড়কে তিনি আসলে ঘরে পুষছেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ের অব্যবহৃত বোমা!

দুই সন্তানের মা, স্কুলের ক্যারিয়ার পরামর্শদাতা বছর ৪৫-এর ক্যাথরিন জানান, তাঁর বয়স যখন ১৫ তখন স্কুলের মাঠে খেলতে খেলতে কুড়িয়ে পান শেলটি। তারপর থেকে তাঁদের ঘরে সেটি অ্যান্টিকের মর্যাদাতেই রয়েছে। প্রতিদিন সেই শেলের মুখ খুলে নিজের পছন্দের ফুল ভরেছেন তিনি। সাজিয়ে তুলেছেন ঘর। এমনকী, প্লাস্টিকের গোলাপ পুরে মাঝেমধ্যে সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। দেখিয়েছেন স্কুলের বাচ্চাদেরও। কিন্তু, কখনও বোধহয় দুঃস্বপ্নেও ভাবেননি যে ঘরের মধ্যে বোমা পুষছেন তিনি।

ডকুমেন্টারি দেখার পরও অবশ্য অকুতোভয় ক্যাথরিন। মজাচ্ছলে বললেন, “টিভিতে দেখাচ্ছিল, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের কভেন্ট্রি এলাকায় শেল ফেলত জার্মান বোমারু বিমান। যা ফাটলে তার ২০ মিটারের মধ্যে থাকা মানুষজনের মৃত্যু অবধারিত। ধূলিসাৎ হবে বাড়িও। আর আমার ঘরেরই ম্যান্টলপিসে সেই শেল…ফুলদানি!” এরপর অবশ্য ক্যাথরিন খবর দেন পুলিশে। বম স্কোয়াড ও পুলিশ এসে শেলের ভেতরে থাকা বিস্ফোরক বার করে নিয়ে যায়। বিপন্মুক্ত “শেল ফুলদানি” আবার ফিরে যায় নিজের স্থানে, ক্যাথরিনের বাড়ির ম্যান্টলপিসে।

আরও পড়ুন