বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

প্রশস্তির স্থান বেডরুম! মেকওভারেই মাত করে দিন

201510051703168859_Things-that-make-your-bedroom-perfect_SECVPFবেডরুম, প্রশস্তির স্থান। সারা দিনের কাজের ফাঁকে, বেডরুমেই তো মন শান্ত হয়ে যায়। মনের ক্লান্তি দূর হয়। বেডরুম হল এনার্জির জায়গা। তাই শোওয়ার ঘরটি হওয়া উচিত বাড়ির কোলাহল মুক্ত এলাকায়। বাস্তুশাস্ত্র অনুযায়ী প্রধান শয়নকক্ষ হওয়া উচিত বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব কোণে। কারণ এখানেই যে লুনার এনার্জি বা চান্দ্র শক্তির অবস্থান। দক্ষিণ-পূর্ব দিক যদি খোলা থাকে, তবে আলো-বাতাস খেলতে পারে। তাই বেডরুমকে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখা আপনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যেই অন্যতম।

বেডরুমের ঘরের রং সঠিকভাবে বেছে নেওয়াই প্রথম কাজ। সাদা বা অফ হোয়াইট রংকে বেছে না নেওয়াই ভালো। কেননা, এটি আপনার রুমকে বিষণ্ণতায় ভরিয়ে দিতে ওস্তাদ। সবসময় উজ্জ্বল রং বেছে নিন। তবে, কোন রং আপনার মনকে ঠিক প্রভাবিত করছে, তা আপনিই বলতে পারবেন। যে রং পাশে নিয়ে নিশ্চিন্তে সঙ্গীর সঙ্গে ঘুমাতে পারবেন, সেই রংকেই করে তুলুন আপমার ঘরের থিম কালার। আর এখন ওয়াল আর্টের যুগ। সেদিক দিয়ে দেখতে গেলে রঙের সঙ্গে মানানসই করে ওয়াল আর্ট বেছে নিন।

এরপরেই বেছে নিতে হয় বেডরুমের সাইজ়কে। বলা বাহুল্য, বেড রুমে অবশ্যই বড় সাইজ়ের বিছানার দরকার। যেখানে হাতপা ছড়িয়ে নিশ্চিন্তে শোওয়া যায়। অবশ্যই ম্যাট্রেসটিকে নরম তুলতুলে হতে হবে। ফ্যাব্রিকের বিছানার চাদর ব্যবহার করুন। ফ্যাব্রিকের ক্ষেত্রে আবার কটন, লিনেন ও স্যাটিন বেস্ট চয়েস। এক রঙা ফ্যাব্রিকও বাছতে পারেন, তবে যেকোনও প্রিন্টেড ফ্যাব্রিকও বেশ সুদিং।

বেডরুমকে সাধারণ ঘর বানিয়ে ফেলবেন না। আয়না ও ড্রয়ার ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া, ঘড়ি, ফ্রেমবন্দি ক্যানভাস, পোস্টার রাখতে পারেন। তবে সোফা, টেলিভিশন সেট শোওয়ার ঘরে না রাখাই ভালো। যদি আপনি সঙ্গীতপ্রেমী হন, তবে ঘরে মিউজিক সিস্টেম রাখতে পারেন। রাতে ঘুমতে যাওয়ার আগে কখনই লাউড মিউজিক শুনবেন না। এতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। লো মিউজিক শরীর ও মনকে শান্ত রাখতে সাহায্য করে। এই ছোট্ট টিপসগুলি মাথায় গেঁথে ফেলুন। আপনার শোওয়ার ঘরকে করে তুলুন সবচেয়ে শান্ত ঘর।

লাইফ স্টাইল  ডেস্ক

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম

আরও পড়ুন