দেশে নিরাপত্তা শঙ্কা নিয়ে মার্কিন দূতাবাস থেকে আগেই সতর্ক করে দেওয়া হয়েছিলো বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বীকার করলেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমন দাবি উড়িয়ে দেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, বিদেশিদের ওপর হামলার আশঙ্কার বিষয়ে কোনো রাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারকে কোনো তথ্য দেয়নি। দুই মন্ত্রণালয়ের এমন পরস্পরবিরোধী বক্তব্যকে সমন্বয়হীনতা বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, বিদেশের উপর নির্ভর না হয়ে দেশে ভেতর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আধুনিক প্রযুক্তি সমৃদ্ধ দক্ষ গোয়েন্দা বাহিনী গড়ে তোলা উচিত।
অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর বাতিল, ২৮ সেপ্টেম্বর গুলশানের কূটনৈতিক পাড়ায় ইতালিয়ান নাগরিক খুন। এর চারদিন পর ৩ অক্টোবর রংপুরে একই কায়দায় খুন হন জাপানি নাগরিক।
দেশে এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠে নিরাপত্তার বিষয়ে। যদিও, সম্প্রতি মার্কিন দূতাবাস থেকে নিরাপত্তার শঙ্কার বিষয়ে আগে থেকেই জানানো হয়েছিলো বলে মন্তব্যও করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত।
মঙ্গলবার বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিষয়টি স্বীকার করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদও। তবে এর দিন পর বুধবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বিদেশিদের ওপর হামলার আশঙ্কার বিষয়ে কোনও রাষ্ট্র বাংলাদেশ সরকারকে কোনও তথ্য দেয়নি।
দুই মন্ত্রীর দুই ধরনের মন্তব্যের কারণ হিসেবে মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভাব বলে মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। তবে এও বলছেন, যে তথ্য বাংলাদেশ সরকার পেয়েছিলো তা পর্যাপ্ত ছিল না। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশে বিদেশ নির্ভরতা কমিয়ে প্রয়োজন দেশে সুদক্ষ আর প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ গোয়েন্দা বাহিনী গড়ে তোলার।


