৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় তাপমাত্রা ছিল প্রায় চল্লিশের কোঠায়। সিডনির লাকেম্বায় “হাজির বিরিয়ানিতে” তখন তিল ধরার জায়গা নেই। জাতীয়তাবাদী শক্তির মহামিলনের এই সন্ধিক্ষণে হাজির হয়েছেন জাতীয়তাবাদী দল, অস্ট্রেলিয়া শাখার বিভিন্ন উপদলের নেতৃবৃন্দ। কথা ছিল, বিভিন্ন উপদলের নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে নতুন একটি পরিষদ গঠনের মাধ্যমে দলকে পরিচালনার। হয়েছেও তাই।
দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টায় অর্জন হয়েছে অনেক কিছুই। বিভিন্ন সিনিয়র এবং জুনিয়র নেতৃবৃন্দের বক্তব্যে ঐক্যবদ্ধ জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রয়োজনীয়তার কথাই বার বার উচ্চারিত হয়েছে। উচ্চারিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের ফ্যাসিবাদী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে দৃপ্ত আওয়াজ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি অস্ট্রেলিয়া শাখার অন্যতম কাণ্ডারি মনিরুল হক জর্জ, ডাঃ ওহাব বকুল, রুহুল আহমেদ সওদাগর, খুলনা বিআইটির সাবেক ভিপি সোহেল মাহমুদ ইকবাল, ফজলুল হক শফিক, নিউজিল্যান্ড শাখার প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল বারেক এবং জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাকসু) সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক হাজী লুতফুল কবীর।
অস্ট্রেলিয়া শাখা বিএনপির অন্যতম নেতা জনাব রুহুল আহমেদ সওদাগর তার বক্তব্য দিয়ে সভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন খুলনা বিআইটির সাবেক ভিপি জনাব সোহেল মাহমুদ ইকবালের পরিচালনায়। জনাব সওদাগর তার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয়তাবাদী শক্তির ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা বিশদ ভাবে ব্যাখ্যা করেন যা উপস্থিত সকল জাতীয়তাবাদী শক্তির কর্মীদের উদ্ভুদ্ধ করে। এর পর একে একে বিভিন্ন উপদলের নেতৃবৃন্দের বক্তব্য অনুষ্ঠানের সকলকে এই আগুণ গরমের মধ্যেও উজ্জিবিত করে রাখে রাত প্রায় ১১.৩০ পর্যন্ত।
সর্বসম্মতিতে গৃহীত প্রস্তাবনা
সভায় বক্তাগন জাতীয়তাবাদী ঐক্যকে সুসংহত করার প্রত্যয়ে নিন্মলিখিত প্রস্তাবনার সপক্ষে জোরাল বক্তব্য রাখেন। অতঃপর সভার সমাপ্তির পূর্বে সর্বসম্মতিতে এই প্রস্তাবনা গুলো গৃহীত হয়।
১। বর্তমানে যে গ্রুপ গুলো সক্রিয় তার নেত্রীবৃন্দকে সকল গ্রুপের কার্যক্রম স্থায়ী ভাবে বন্ধ করতে হবে।
* অস্ট্রেলিয়া বিএনপিতে যে গ্রুপ গুলো সক্রিয় তার সকল নেত্রীবৃন্দকে লিখিত ভাবে সকল প্রকার গ্রুপ ভিত্তিক কার্যক্রম থেকে সরে আসতে হবে ।
২। পরবর্তী মূল কমিটি গঠন হবার আগ পর্যন্ত শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দদের নিয়ে একটি পরিচালনা পরিষদ গঠন করা হবে যার মাধ্যমে সংগঠন পরিচালিত হবে পরবর্তী তিন মাস পর্যন্ত।
ক) এই পরিচালনা পরিষদ একজন পরিচালক নির্বাচন করবেন পরবর্তী তিন মাসের জন্য।
খ) ঠিক এমনি ভাবে প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যায়ক্রমে একজন করে সদস্য সচিব নির্বাচিত হবেন।
৩। এই সদস্য সচিব পরিচালকের নির্দেশ মোতাবেক পরিচালকের সহকারী হিসেবে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন।
৪। উপস্থিত সকল উপদলের বাহিরেও যারা বিএনপি’র রাজনীতির সাথে জড়িত, তাদের জন্য উক্ত পরিষদের সাথে কাজ করার সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে, তবে উক্ত প্রস্তাবনা মেনে চলতে হবে।
৪। কোন বৈধ কমিটি গঠিত হবার সঙ্গে সঙ্গে তার প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে পরিচালনা পরিষদের বিলুপ্তি ঘোষিত হবে।
নতুন অন্তর্বর্তীকালীন আহ্বায়ক কমিটি:
জনাব মনিরুল হক জর্জ-কে আহ্বায়ক এবং সোহেল মাহমুদ ইকবালকে সদস্য সচিব করে একত্রিশ সদস্য বিশিষ্ট অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি গঠন, মেয়াদকাল তিন মাস।
অন্তর্বর্তীকালীন সদস্যবৃন্দঃ-
ফারুক আহমেদ খান-০৪০৯৭০৪২৩৯ ডাঃ আব্দুল ওহাব বকুল-০৪৩৩৪১১৬৩ রুহুল আহমেদ সওদাগর-০৪০৩১৯৩৯৪৬ হাজী মোঃ লুতফুল কবির-০৪৪৬৫২৬৫০ ফাজলুল হক শফিক-০৪১১২৭৭৪৪৫ হুমায়ুন কবির-০৪০৬৬৩৮৬০৯ ডাঃজাহিদুলইসলাম ০৪০২৮৫৯৩২২শহীদ আহমেদ পারভেজ ০৪৪৮৫৬৩৬৫৮ মোঃ আব্দুল বারেক মিয়া ০৪৫১৬২৫৫৮৫ শাহিন-উল-আলম-০৪২০৩৬১৫১১ আব্দুস সাত্তার০৪১৫৯০৯৩২৭ জামিল হোসেন-০৪১৮৪৫১০২২ মোঃ আবুল হাছান ০৪৩৩৬৮৫৮৯৪ সেলিম লকিয়ত-০৪৩০০১৫৫৮৭ আব্দুল মালেক মানিক ০৪০১৮৫৭৩৬১ আশরাফুল আলম রনি-০৪৯০৩৩৯৬১৩ ফারিদ আহমেদ-০৪৩৪৯৩৬৮২৭ ইলিয়াস কাঞ্চন শাহিন , আব্দুল মতিন উজ্জল- ০৪৯০১৩৬৬২০ আহসানুল হক ইসমাইল ০৪৩৩৩১৭৯০৮ জাকির হোসেন লেলিন-০৪৩৩৫৪১৩৮০ মিজানুর রহমান চৈাধুরী ০৪২৬৮২৯৬৫৬ মোঃ সেলিম রেজা খান মুকুল-০৪২৩৬৩৪৬২৩ প্রকৌঃ জাহাংগীর আলম, এ এস বুলবুল-০৪১৪০৬২৪৩৫ ফেরদৌস অমি-০৪২২৬৫১২৩৫ সৈয়দ তানভির আলম-০৪৩১৮৯৭৮৮০ মনিরুল ইসলাম রুমি-০৪২৪৮৩২৪৫১ মইন উদ্দিন-০৪৬৯২০৫৯২২ আশিকুর রহমান আশিক-০৪৩৩৫০৯৮৫২ইয়াসির আরাফাত অপু-০৪৫০৬০৯৩২৫, মাসুদুর রহমান ০৪১২৮২৮২৭৩, মোহাইমেন খান মিশু।
এ ছাড়া নিন্মলিখিত সদস্যবৃন্দকে নিয়ে মেলবোর্নের কার্যক্রম পরিচালিত হবে
সদস্য বৃন্দগন হলেনঃ–
রিয়াজ উদ্দিন মনি, ইতম রহমান, জামাল উদ্দিন কুমু, একরাম



