নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির পরিকল্পনায় পিডিবির সাবেক চেয়ারম্যান খিজির খানকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। মতাদর্শের বিরোধ থেকে জেএমবির সদস্যরা খিজির খানকে হত্যার পরিকল্পনা করে। তাকে হত্যার পর ঘাতকরা খানকা শরিফের দানবাক্সের টাকা লুট করে। ডিবি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
খিজির খান হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি জেএমবির জামিনপ্রাপ্ত সদস্য তরিকুল ইসলামকে (২৩) ডিবিতে আটক রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দেলদুয়ারের মৌলভীপাড়া মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে বের হওয়ার সময় তরিকুল ইসলামকে আটক করে ঢাকায় নিয়ে আসে ঢাকা ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল। তার বাবার নাম আব্দুল্লাহেল বাকী ওরফে পিয়ারা মৌলভী। বাড়ি দেলদুয়ার মৌলভীপাড়ায়। ঢাকা ডিবি পুলিশ তার বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছে।
দেলদুয়ার থানার ওসি মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘ঢাকা ডিবি পুলিশের একটি বিশেষ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মৌলভীপাড়া মসজিদের সামনে থেকে তারিকুলকে আটক করে ঢাকায় নিয়ে যায়।’
এদিকে, তারিক আটকের ব্যাপারে ঢাকার ডিবির কোনো কর্মকর্তাই আনুষ্ঠানিকভাবে বক্তব্য দেননি। ডিবির একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘মতাদর্শের বিরোধ থেকে জেএমবির সদস্যরা খিজির খানকে হত্যার পরিকল্পনা করে। তাকে হত্যার পর ঘাতকরা খানকা শরিফের দানবাক্সের টাকা লুট করেছিল। জেএমবি পরিচালনার জন্য তারা দানবাক্সের টাকা লুট করেছে বলে আটককৃত তারিক ডিবিকে জানিয়েছেন। এ হত্যার সঙ্গে আরো ৫-৬ জন রয়েছে। তাদের আটকের চেষ্টা চলছে।’
গত ৫ অক্টোবর সন্ধ্যার পর রাজধানীর জ-১০/১, মধ্যবাড্ডায় নিজের বাড়ির দোতলায় ‘রহমতিয়া খানকা শরিফ’-এ দুর্বৃত্তরা গলা কেটে হত্যা করে খিজির খানকে।


