দেশে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। মূলত গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার থেমে থেমে বেশী বৃষ্টিপাতের কারণেই ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা। সরকারি তথ্যমতে, এ বছর এখন পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার মানুষ ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়েছে। যার মধ্যে মারা গেছে ৪ জন। তবে ডেঙ্গুজ্বর নিয়ে আতংকিত না হয়ে দিনের বেলাও ঘুমানোর সময় মশারী ব্যবহারসহ জনসচেতনতাকে গুরুত্ব দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
টানা ৭ দিন ধরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ওয়ার্ডে মশারির মধ্যেই দিন কাটাচ্ছে ছোট্ট মুনিয়া। ডেঙ্গু ভাইরাসে আক্রান্ত সে। ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে শুধু এ হাসপাতালেই এখন চিকিৎসাধীন আছেন আরো কমপক্ষে ২৫ জন।
ডেঙ্গু রোগীর চাপ সামলাতে হাসপাতালটিতে খোলা হয়েছে আলাদা ডেঙ্গু ক্লিনিকও। মূলত বৃষ্টি মৌসুমে অর্থাৎ জুন থেকে অক্টোবরে প্রতিবছরই দেশে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাসা-বাড়ির বারান্দায় কিংবা ছাদে থাকা বিভিন্ন গাছের টপে দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানিতে এডিস মশা বংশ-বিস্তার করে। আর এসব মশার কামড়ে যে কোন মানুষ আক্রান্ত হতে পারে ডেঙ্গু জ্বরে।
আক্রান্ত ব্যক্তিকে যে মশা কামড় দেবে, সেই মশার মাধ্যমে এ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা। তাই এডিস মশা প্রতিরোধে ঘরের আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখার পরামর্শ তাদের।
সাধারণ মানুষের সচেতনতার পাশাপাশি ঢাকা থেকে ডেঙ্গু ভাইরাস দূর করতে হলে সিটি কর্পোরেশনেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা।
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


