বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট: দুর্ভোগে আমদানি-রফতানিকারকরা

ctg bondorকন্টেইনার ডেলিভারির ক্ষেত্রে এখনও কোরবানির ঈদের ধকল কাটিয়ে উঠতে পারেনি চট্টগ্রাম বন্দর। ডেভিভারির ধীরগতির কারণে সৃষ্টি হয়েছে কন্টেইনার জট। ৩৬ হাজার টিইউস কন্টেইনার ধারণ ক্ষমতার এ বন্দরে বর্তমানে রয়েছে প্রায় ৩২ হাজার টিইউস কন্টেইনার। এতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ আমদানি-রপ্তানির সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যবসায়ীদের। এ অবস্থায় কন্টেইনার ডেলিভারি প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার উপায় খুঁজছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

ঈদের দু’দিন ছাড়া বছরের পুরোটা সময় সচল থাকে দেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর। এ সময় পণ্য ওঠা-নামার পাশাপাশি স্বাভাবিক থাকে ডেলিভারিও। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জটের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে কোরবানির ঈদের পর থেকে এ সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে।

সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৩৬ হাজার ৩৫৭ টিইউস কন্টেইনার ধারণ ক্ষমতার চট্টগ্রাম বন্দরে রয়েছে ৩১ হাজার ৭৯৫ টিইউস কন্টেইনার।

স্বাভাবিক সময় প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার কন্টেইনার ডেলিভারি হলেও ঈদের বন্ধে তা কয়েকশ’তে নেমে আসে। আর এর ফলে কন্টেইনার জট সৃষ্টি হচ্ছে বলে মনে করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন অন্য কথা।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রশাসন এবং পরিকল্পনা) মোহাম্মদ জাফর আলম বলেন, ‘পণ্য ডেলিভারির ক্ষেত্রে আমাদের ৮-৯ দিন সমস্যা হয়েছে। এটা খুবই ধীর গতির ছিলো। আমদানিকারকরা পণ্য ডেলিভারি করেননি বলেই এমনটি হয়েছে।’

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ বলেন, ‘দু-তিন বছর আগের তুলনায় আমদানি-রফতানি অনেক বেড়ে গেছে, যে কারণে ব্যাপারগুলো সামাল দেওয়া আমাদের জন্য একটু কষ্টকর হচ্ছে।’

এ অবস্থায় কন্টেইনার জট খোলার উপায় খুঁজতে ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করবে বলে জানায় বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বর্তমানে প্রতিদিন বন্দর কর্তৃপক্ষ ৬ হাজারের বেশি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করছে। এর মধ্যে আমদানিকৃত কন্টেইনারের পরিমাণ তিন হাজারের বেশি।

আরও পড়ুন