বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

মেডিকেলের প্রশ্নফাঁস তদন্তে গণতদন্ত কমিশন

Medical_সারা দেশের মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজসমূহের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে ও পুনঃপরীক্ষার দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে গণতদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১৭ সদস্যের এ কমিটি তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি প্রমাণাকারে তুলে ধরবে।

আজ সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) ক্যাফেটেরিয়ায় আলোচনা সভা শেষে গণতদন্ত কমিশনের ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় সেখানে মেডিকেলে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।

এ গণতদন্ত কমিশনের আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদকে। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মাকসুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক মো. তানজীম উদ্দীন খান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সামিনা লুৎফা, অ্যাকাউন্টিং বিভাগের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা, ইতিহাস বিভাগের শিক্ষক আহমেদ কামাল, ফিদা হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ডা. ফজলুর রহমান, বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক অধ্যাপক ডা. শাকিলা আক্তার, শিল্পী মাহমুদুজ্জামান বাবু, লেখক রাখাল রাহা, শিক্ষাবিদ আবু সাঈদ খান, তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য প্রকৌশলী ম ইনামুল হক, অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, অধ্যাপক এ এন রাশেদা প্রমুখ।

তদন্ত শেষে আগামী ৩০ অক্টোবর, শুক্রবার বিকেল ৪টায় টিএসসিতে গণশুনানি হবে। এরপর সব প্রমাণাদিসহ ২০ নভেম্বর প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর সারা দেশের সব মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ তুলে আবার পরীক্ষার দাবিতে আন্দোলন শুরু করে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা। তাদের সঙ্গে অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে সংহতি প্রকাশ করেন। টানা ২৭ দিন আন্দোলন চালিয়ে গেলেও সরকারের পক্ষ থেকে সাড়া না পেয়ে গত ১৪ অক্টোবর থেকে আমরণ অনশন শুরু করে আন্দোলনকারীরা।

এর পরদিন কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এসে গণতদন্ত কমিশন গঠনের আশ্বাস দিয়ে শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙান।

আরও পড়ুন