শিক্ষাদানের জন্য প্রয়োজন যোগ্যতা সম্পন্ন শিক্ষক, অথচ কয়েকটি সরকারি ও বেশিরভাগ বেসরকারি মেডিকেল কলেজে নেই প্রয়োজনীয় শিক্ষক। আর শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের জন্য এসব মেডিকেল কলেজ সংশ্লিষ্ট হাসপাতালে নেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক বিভাগ এমনকি রোগীও।
এতে প্রতি বছর শিক্ষাগত দুর্বলতা নিয়েই ডাক্তারি সার্টিফিকেট পাচ্ছেন বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী। ডাক্তারি সনদ দেয়ার প্রতিষ্ঠান খোদ বিএমডিসি একথা স্বীকার করলেও এর প্রতিকারে দৃশ্যমান কোন তৎপরতা নেই সরকারের।
বাংলাদেশ মেডিক্যাল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল- বিএমডিসি’র তথ্য অনুযায়ী প্রতি বছর প্রায় পাঁচ হাজার ছাত্র ডাক্তারি সনদ পাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ঘাটতি নিয়েই এসব শিক্ষার্থী ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত হচ্ছেন।
নতুন অনুমোদন দেয়ায়, দেশে এখন ৩৪টি সরকারি এবং ৬৯টি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজধানীর কয়েকটি বাদে অধিকাংশ মেডিকেল কলেজেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক ও মানসম্মত হাসপাতাল নেই।
বিশেষজ্ঞের মতে, এজন্য জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ার আগেই যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া দরকার। আর বিএমডিসিও নতুন ডাক্তারদের নিম্নমুখী মানের কথা স্বীকার করে বলছে, এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে জোরালো ভূমিকা নিতে হবে।
ডাক্তারির মতো প্রাণ রক্ষাকারী ও সংবেদনশীল পেশার মান ধরে রাখতে বিশেষজ্ঞরা, মেডিকেল শিক্ষা ও ওষুধ প্রশাসনকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা করার পরামর্শ দেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


