লন্ডনে চিকিৎসা শেষে অতি দ্রুত দেশে ফিরবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিএনপির নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে শনিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান। এর আগে দলের শীর্ষ নেতা ও অঙ্গ-সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। দিবসটি উপলক্ষে ১০ দিনের কর্মসূচি নেয় বিএনপি।
চিকিৎসার জন্য বিদেশে অবস্থান করা খালেদা জিয়া দেশে ফিরবেন না— বিভিন্ন গণমাধ্যমে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদনের কঠোর সমালোচনা করেন মির্জা ফখরুল।
তিনি বলেন, ‘এটি একটি গভীর চক্রান্ত। বিএনপিনেত্রী তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে সবসময় ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন। অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গেই কথাগুলো বলতে চাই, তিনি (খালেদা জিয়া) চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গেছেন। চোখের চিকিৎসা চলছে। একই সঙ্গে পায়ের চিকিৎসাও হচ্ছে। চিকিৎসক ছেড়ে দেওয়ামাত্রই তিনি দেশে ফিরে আসবেন।’
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘এক-এগারো সময়ে খালেদা জিয়াকে দেশ থেকে বের করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হয়েছিল। দেশনেত্রী তখন স্পষ্ট করে বলেছিলেন, বাংলাদেশের মাটি আমার জন্মভূমি, আমি এখান থেকে কোথাও যাব না। এ দেশের মানুষের সঙ্গে তার ভাগ্য জড়িয়ে আছে। বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে সারাজীবন কাটিয়েছেন। এখানও মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্রের জন্য আন্দোলন করছেন।’
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরা নিয়ে অনুমান নির্ভর হয়ে রিপোর্ট না করে দলের নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলতে গণমাধ্যমকর্মীদের পরামর্শ দেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন জাতীয় নেত্রী। সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তার সম্পর্কে শুধুমাত্র চিন্তাভাবনা করে বা অনুমান নির্ভর করে রিপোর্ট করলেও তা জনগণ সঠিকভাবে গ্রহণ করবে না। প্রয়োজনে আমাদের সঙ্গে কথা বলুন।’


