রাজধানীর পুরান ঢাকার হোসেনি দালানের সামনে শিয়াদের ওপর বিস্ফোরিত গ্রেনেডগুলো হাতে তৈরি ছিল। আর এগুলো চত্বরের ভেতর থেকেই ছোড়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন র্যাব-১০-এর অধিনায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর।
র্যাব-১০-এর অধিনায়ক জানান, ধারণা করা হচ্ছে- হামলাকারীরা পাঁচটি গ্রেনেড নিয়ে এসেছিল। এর মধ্যে তিনটির বিস্ফোরণ ঘটায়। দুটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। এর একটি র্যাব এবং অপরটি নিস্ক্রিয় করে গোয়েন্দা পুলিশ।
জাহাঙ্গীর হোসেন মাতুব্বর বলেন, ‘গ্রেনেডে ব্যবহূত দুটি সেফটি ক্লিপ ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্বৃত্তরা মোট পাঁচটি গ্রেনেড বিস্ফোরণের চেষ্টা করে। এর মধ্যে তিনটি বিস্ফোরিত হয়। বাকি ক্লিপ খোঁজা হচ্ছে। তিনি বলেন, হাতের তৈরি গ্রেনেডগুলো দুর্বৃত্তরা পরীক্ষামূলক ব্যবহার করে দেখেছে যে, এতে কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে র্যাব-১০-এর অধিনায়ক বলেন, দুর্বৃত্তরা তাজিয়া মিছিলে আগেভাগেই আগত লোকজনের সঙ্গেই ভেতরে ঢুকেছিল। আর তারা যে স্থান থেকে গ্রেনেড ছুড়েছিল, সেখানটা ছিল অন্ধকার। ফলে সিসিটিভিতে তা অস্পষ্টভাবে ধরা পড়ে। তবে গ্রেনেডগুলো ভেতর থেকেই মারা হয়েছিল। কারণ, চত্বরের চারপাশে বড় বড় দেয়াল ও ভবন রয়েছে। বাইরে থেকে এগুলো মারা সম্ভব নয়।
পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় শুক্রবার রাত ১টা ৫৮ মিনিটে হোসেনি দালানের চত্বরে পরপর তিনটি বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে সাজ্জাদ হোসেন সানজু (১৫) নামের এক স্কুলছাত্র মারা যায়। আহত হয় শতাধিক।



