বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

শাহজালালে বাড়েনি হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা

airশাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে তিন দশকে পণ্য আমদানি কয়েক গুণ বাড়লেও বাংলাদেশ বিমানের কার্গো কমপ্লেক্সের পরিসর ও হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বাড়েনি। ঢাকা কাস্টম এজেন্ট ও কর্মকর্তাদের দাবি, অটোমেশনের জন্য বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও এটি ঠিকমতো কাজ করছে না।

এছাড়া, নানা অজুহাতে আমদানিকৃত পণ্য খোলা আকাশের নিচে ফেলে রাখা হচ্ছে। তবে বিমান মন্ত্রীর দাবি, অটোমেশনে কোনো সমস্যা নেই। শাহজালাল বিমান বন্দরে বিভিন্ন ফ্লাইটে পোশাক শিল্পের নমুনা, আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতিসহ দৈনিক প্রায় আড়াই হাজার মেট্রিক টন পণ্য নামে।

ব্যবহারকারীদের অভিযোগ, বিমানের কার্গো কমপ্লেক্সে আমদানি পণ্যের জন্য সংরক্ষিত তিনটি গুদামে এসব পণ্য রাখার কথা। অথচ লোকবল স্বল্পতাসহ নানা অজুহাতে অর্ধেকের বেশি পণ্য খোলা আকাশের নীচে ফেলে রাখা হয়।

ঢাকা কাস্টম এজেন্টদের দাবি, কার্গো কমপ্লেক্সের অটোমেশনের জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় হলেও ঠিকমতো কাজ না হওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে। ঢাকা কাস্টম কমিশনার লুৎফুর রহমানও বললেন, অব্যবস্থাপনা, পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন ও কার্গো ভিলেজের সম্প্রসারণ না হওয়ায় আমদানি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে কিছু অভিযোগ পেয়েছেন স্বীকার করলেও অটোমেশনে সমস্যা নেই বলে দাবি বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের। তিনি আরো জানান, আপাতত হ্যান্ডলিং বেসরকারি খাতে দেয়ার চিন্তাভাবনা নেই। বিমানবন্দর দিয়ে আমদানিকৃত পণ্যের শুল্ক থেকে দৈনিক ১২ কোটি রাজস্ব পায় ঢাকা কাস্টম হাউস।

আরও পড়ুন