প্রশ্ন ফাঁসের খসড়া আইন প্রকাশের পর সমালোচনার মুখে তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন-২০১৫ এর খসড়া মঙ্গলবার ওয়েবসাইট থেকে প্রত্যাহার করে নেয় মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘খসড়া আইনটি আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে পরিমার্জন করার প্রয়োজন আছে বিধায় শিক্ষা আইনের কপি ওয়েবসাইট থেকে প্রত্যাহার করা হল।’
পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস বা এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হলে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রেখে গত ২০ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে শিক্ষা আইনের খসড়া প্রকাশ করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর সমালোচনার ঝড় ওঠে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে।
এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানায়, গণমাধ্যম ও নানা মহল থেকে সমালোচনা আসতে থাকায় এ বিষয়ে ফের সিদ্ধান্ত নিয়ে খসড়া প্রকাশ করা হবে।
মন্ত্রণালয়ের আইন কর্মকর্তা (যুগ্ম-সচিব) মো. ফারুক হোসেনের স্বাক্ষরে পুনঃবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পরবর্তীতে শিক্ষা আইনের কপি চূড়ান্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
উল্লেখ্য, খসড়া শিক্ষা আইনে প্রশ্ন ফাঁসের শাস্তি চার বছর অপরিবর্তিত রাখা হলেও ১৯৮০ সালের ‘দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্স) অ্যাক্ট’-এ প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ১০ বছরের শাস্তির বিধান ছিল। ১৯৯২ সালে তা সংশোধন করে সাজা চার বছর করা হয়। আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষাবিদসহ অংশীজনের মতামত নিয়ে শিক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তের কথা ছিল।


