রাজধানীতে ১লা নভেম্বর থেকে নতুন করে নির্ধারিত ভাড়ায় চালাতে হবে সিএনজি অটোরিকশা। ভাড়া প্রথম দুই কিলোমিটার চল্লিশ টাকা, ও পরবর্তী প্রতি কিলোমিটার ১২ টাকা। তবে, গণপরিবহনের সংকট বজায় থাকায় সরকারি নির্দেশ বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় যাত্রী ও প্রাইভেট অটোরিকশা মালিকদের।
অন্যদিকে, চালকদের দাবি- যানজট নিরসন, অতিরিক্ত টাকা জমা নেয়া, ও পুলিশি হয়রানি বন্ধ করা প্রয়োজন। বিআরটিএ জানিয়েছে-পর্যাপ্ত সংখ্যক ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবে রাজধানীর সড়কগুলোতে। রাজধানী ঢাকায় বিআরটিএ অনুমোদন দিয়েছে মাত্র ১৩ হাজার সিএনজি অটোরিকশার। ব্যক্তিমালিকানা ও আশপাশের শহর থেকে এসে চলে আরও হাজার চারেক গাড়ি। ২০০২ সালের আগে পঁয়ত্রিশ হাজার বেবিট্যাক্সি চলাচল করলেও পরবর্তীতে সিএনজি অটোরিকশার সংখ্যা অজ্ঞাত কারণে ১৩ হাজারেই সীমাবদ্ধ রাখে কর্তৃপক্ষ।
ফলে গণপরিবহণ সংকট কাটাতে ভূমিকা রাখতে পারেনি এসব পরিবহন। এ সংকটকে পুঁজি করেই সিএনজি অটোরিকশার চালক ও মালিকরা অতিরিক্ত ভাড়ার ফাঁদে ফেলেন যাত্রীদের। যাত্রীদের দাবি, নিয়ম না মানার অভ্যাস হঠাৎ করে পরিবর্তন করা অনেকটাই অসম্ভব।
চালকদের দু:শ্চিন্তা যানজট আর পুলিশি হয়রানি নিয়ে। এছাড়া, মালিকপক্ষের ৯০০ টাকা জমা নেয়ার নিয়ম মানা নিয়েও শঙ্কা তাদের। তাদের দাবি, যেকোনো অনিয়মের দায় যাত্রীদের ঘাড়ে চাপাতে বাধ্য হন তারা। মিটারবিহীন অটোরিকশা চলাচলে বিআরটিএর নিষেধাজ্ঞায় বিপাকে পড়েছেন ব্যক্তিগত হিসেবে নিবন্ধন নেয়া পরিবহনের চালক-মালিকরা। অন্যদিকে, নতুন হারে ভাড়া ও জমার বিধান কার্যকর করতে বিআরটিএ সচেষ্ট বলে দাবি প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের।
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


