বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

জেলহত্যা দিবসে বিচার নিয়ে প্রহসনে সন্তানদের ক্ষোভ

4-leaders-36723আজ শোকাবহ জেলহত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিন সূর্যোদয়ের আগে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চারনেতা-তাজউদ্দীন আহমেদ, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।

বঙ্গবন্ধুর ঘাতকদের সঙ্গে আপস না করে মৃত্যুকে বরণ করেছিলেন বলেই জাতির মুক্তি সংগ্রামের এই চারনেতা এখনও বাঙালি মানসে স্বমহিমায় উজ্জ্বল হয়ে আছেন। আদর্শের প্রতি অবিচল এই নেতাদের হার না মানার শক্তি আজও তাদের পরিজনদের শোকাকুল না করে করে তোলে গর্বিত।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়া এই মানুষটির রাজনৈতিক পরিচয়ের পাশাপাশি ছিল একটি সুন্দর পারিবারিক জীবন। যে জীবনে তিনি ছিলেন কারও স্বামী কিংবা সন্তানদের স্নেহময় পিতা। তবে পরিবার এই নেতাদের কাছে কখনোই মুখ্য হয়ে ওঠেনি। দেশের মানুষ ও দেশের স্বাধীনতা, রাজনীতি আর রাজপথ যেন এক হয়ে মিশে গিয়েছিল তাদের রক্তে।

১৯৭৫ এর ৩রা নভেম্বর ঘাতকের বুলেট জাতীয় চার নেতাকে স্তব্ধ করে দেবার পাশাপাশি কালো আঁধারে ছেয়ে দিয়েছিল তাদের পারিবারের সদস্যদের জীবনকেও। সন্তানদের ক্ষোভ, দেশে সরকার বদলের সাথে সাথে জাতীয় চার নেতার হত্যাকারীদের বিচার নিয়ে হয়েছে নানা প্রহসন, চলেছে নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের রক্ষার অপচেষ্টা।

পরিবার ও স্বজনদের মতে, এই চার নেতা বেঁচে থাকলে তাদের প্রজ্ঞা আর বিচক্ষণতায় বাংলাদেশ এগিয়ে যেত অনেক দুর। ঐতিহাসিক জেলহত্যার পেছনের রাজনৈতিক কারণগুলো বিশ্লেষণ করে তা শ্বেতপত্র আকারে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা উচিত বলে মনে করেন জাতীয় চার নেতার উত্তরসূরিরা।

নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম

আরও পড়ুন