জয়পুরহাটে নিখোঁজের পাঁচ মাস পর স্থানীয় জাতীয় পার্টির (জাপা) এক নেত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি সদর উপজেলা জাপার মহিলাবিষয়ক সহ-সম্পাদিকা রেহেনা বেগম (৪৭)।
জয়পুরহাট শহরতলির খঞ্জনপুর এলাকায় তার বোন আমেনা বেগমের বাড়ি থেকে মঙ্গলবার রাতে তাকে উদ্ধার করা হয়।
রেহেনা বেগমের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামের মৃত সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী রেহনা বেগম। ৯ মে সন্ধ্যায় তিনি জয়পুরহাট শহর থেকে ছেলে হুমায়ন কবিরের জন্য লুঙ্গি ও গেঞ্জি কিনে পশ্চিম পারুলিয়া গ্রামের নিজ বাড়িতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। একদিন পর পার্শ্ববর্তী একটি আখক্ষেত থেকে নিখোঁজ রেহেনা বেগমের একপাটি স্যান্ডেল দেখে তা তার মা রেহেনা বেগমের বলে শনাক্ত করে ছেলে হুমায়ন কবির। ১১ মে রাতে জয়পুরহাট সদর থানায় এ ব্যাপারে একটি সাধারণ ডায়েরি করে ছেলে হুমায়ন কবির।
জমি বিরোধ নিয়ে এর আগে তার স্বামী হত্যার শিকার হন। এতদিন পরে উদ্ধারের পর অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন তিনি। এজন্য প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, তাহলে কি তাকে অপহরণ করা হয়েছিল, না নিজেই নাটক করেছেন?
এ ব্যাপারে জয়পুরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ হোসেন জানান, আজ আদালতে রেহেনা বেগমের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়ার কথা রয়েছে। তার বক্তব্য থেকে সব পরিষ্কার হওয়া যাবে।
নিখোঁজের ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) এসআই খালেক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে জাতীয় পার্টির নেত্রী রেহেনা বেগমকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তিনি পুলিশকে নিজেকে মানসিক রোগী হিসেবে জানিয়েছেন।


