দলীয় পরিচয় ও প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সিদ্ধান্তের পরই গাইবান্ধায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা নির্বাচনের জন্য মাঠে নেমে পড়েছেন। আর এ নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
এদিকে, এ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে শঙ্কায় আছে বিএনপি ও জাতীয় পার্টি। তবে, আওয়ামী লীগ বলছে, এতে শঙ্কার কিছু নেই। বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী হলে সরকারের কিছুই করার থাকে না।
পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও পৌরসভাগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে আসায় ভোটারদের আকৃষ্ট করতে অলিগলিতে শোভা পাচ্ছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পোস্টার। অনেকেই গণসংযোগও শুরু করেছেন। দলীয় পরিচয় ও স্বস্ব দলের প্রতীকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এমন ঘোষণার পর নির্বাচনী প্রচারণায় সরগরম গাইবান্ধা। কিন্তু দলীয় পরিচয়ে নির্বাচনের বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ভোটাররা।
অন্যদিকে হঠাৎ করে সরকারের নির্বাচন পদ্ধতির এই পরিবর্তন নিয়ে নানা শঙ্কার কথা জানালেন বিএনপি ও জাতীয় পার্টির নেতারা। তবে এতে শঙ্কার কিছু নেই বলে মনে করে সরকারি দল। কেন্দ্রীয় কমিটি জাতীয় পার্টির সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ সরকার বলেন, পৌরসভায় যদি কোনো দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ভোট হয় তাহলে সেটি স্থানীয় সরকার ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে।
এদিকে গাইবান্ধা সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক সোহরাব হাসান বলেন, নির্বাচন কমিশন শক্তিশালী হলে কোনো ষড়যন্ত্রই সফল হবে না। গাইবান্ধা জেলায় তিনটি পৌরসভা রয়েছে। তার মধ্যে গাইবান্ধা পৌরসভার জনসংখ্যা প্রায় ৬৮ হাজার। আর ভোটার সংখ্যা ৪৮ হাজার।
সংবাদদাতা
নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডটকম


