সংগঠনের সদস্য ২২ জন লেখককে সম্মাননা প্রদান করেছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)। শুক্রবার ডিআরইউর’র সাগর-রুনি মিলনায়তনে লেখকদের হাতে এ সম্মাননা তুলে দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দল কাদের। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. তাজুল ইসলাম এমপি অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
পুরষ্কারপ্রাপ্ত ডিআরইউ সদস্যরা হলেন- বাসসের শামসুল আলম বেলাল, ভোরের কাগজের ঝর্না মনি ও শামসুজ্জামান শামস, আজকের পত্রিকা’র ওমর ফারুক, ইনকিলাব’র মিজান মাহমুদ, আমার দেশ’র হাসান হাফিজ, অবজারভার’র জীবন ইসলাম, মানবজমিন’র কাফি কামাল, জনকণ্ঠ’র কাওসার রহমান, মাই টিভি’র আমীরুল মুমেনীন, উত্তরবঙ্গ সংবাদ’র নির্মল চক্রবর্তী, এবি নিউজ ডটকম’র শাহিন চৌধুরী, দ্য ইকোনমিক্স ডটকম এর শেখ মাহমুদ, এটিএন নিউজ’র ইশরাত জাহান উর্মী, ইত্তেফাক’র পিনাকী দাস গুপ্ত ও দেবব্রত মূখোপাধ্যায়, সংগ্রাম’র শাহেদ মতিউর রহমান, আর টিভি’র আক্তার হোসেন, কালের কণ্ঠ’র ওমর ফারুক, সমকাল’র আলতাফ হোসেন ও ইন্দ্রজিৎ সরকার ও চ্যানেল টুয়েন্টিফোর’র আমিন আল রশিদ।
ডিআরইউ সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন বাদশার সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস হোসেন, সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যখন সৃজনশীলতা, মননশীলতা ও নান্দনিকতা ঘাতকের থাবায় আক্রান্ত হচ্ছে তখন ডিআরইউ সাংবাদিকদের সৃজনশীলতার জন্য এ সম্মাননা প্রদান করছে। সুতরাং এর উদ্দেশ্যে পরিষ্কার।’
জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ডিআরইউ’র তুলনা করে তিনি বলেন, ‘জাতীয় প্রেস ক্লাবে বর্তমান রাজনীতিক দলের মতোই বিভাজনের দেয়াল উঠেছে। কিন্তু ডিআরইউতে এখনো সেটা হচ্ছে না। কারণ এখানে আদর্শগত মতান্তর আছে কিন্তু মনান্তর নেই।’
সভাপতির বক্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন বাদশা বলেন, ‘আগামীবার থেকে শুধু সম্মাননা প্রদান নয়, লেখকদের পাণ্ডলিপি নির্বাচন করে সেটি প্রকাশ করার ব্যবস্থা করা হবে।’
গণমাধ্যমের বর্তমান অবস্থ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘শুধু লেখক-প্রকাশক নয় সাংবাদিকরাও নানা সময়ে ঘাতকের আঘাতের স্বীকার হচ্ছে। সাগর-রুনি হত্যার বিচারের পরিবর্তে ক্রমশ এটিকে মুছে ফেলা হচ্ছে। এ বিচার যদি হতো দুর্বৃত্তদের এই ধারাবাহিকতা থাকত না।’


