বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ডের পর আইএসের নামে দায় স্বীকারের বার্তার সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের এই জঙ্গি সংগঠনটির কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে দাবি র্যাবের। সংস্থাটির মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজির আহমেদ বলেন, “আইএস তাদের (দুই বিদেশি) হত্যা করলে তাদের ওয়েবপেইজ থেকে তারা দায় স্বীকার করত। কিন্তু দায় স্বীকার করা হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। অনুসন্ধানে আমরা জেনেছি, দায় স্বীকারের একটি করা হয়েছে গাজীপুরের টঙ্গী এবং অপরটি ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে। ফলে আইএসের যে দায় স্বীকারের কথা বলা হচ্ছে তা ‘মেইড ইন টঙ্গী অ্যান্ড যাত্রাবাড়ীর’।”
সোমবার খুলনা সার্কিট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে বেনজির এসব দাবি করেন। এর আগে সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে খুলনা বিভাগের প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক হয় র্যাবপ্রধানের।
দুই বিদেশি হত্যাকাণ্ডের পর আইএসের দায় স্বীকারের খবর সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ দিলেও তার সত্যতা নিয়ে শুরু থেকে প্রশ্ন করে আসছিল বাংলাদেশ সরকার।
‘অন্য পরিকল্পনা’ থেকে আইএসের অস্তিত্ব স্বীকারের চাপ আসছে বলে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের একদিন পরই খুলনায় সাংবাদিকদের কাছে নিজেদের অনুসন্ধানের ফল জানান র্যাবপ্রধান। বলেন, ‘সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা’ থেকে আইএসের কথা বলা হচ্ছে। লন্ডন ও ভারত থেকে আইএসের দুটি দল বাংলাদেশে এসেছিল। তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আশুলিয়ায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় সমন্বিত তদন্ত হচ্ছে জানিয়ে বেনজির বলেন, এক্ষেত্রে কারও কোনো গাফিলতি পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মো. মুজাহিদের আইনি কার্যক্রমের চূড়ান্ত নিষ্পত্তির আগে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা হলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তা ঠেকাতে তৎপর থাকবে বলেও জানান র্যাবের ডিজি।


