টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় একটি লেগুনা ও যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে লেগুনার চালকসহ প্রাণ বিএস গ্রুপের চার কর্মচারী নিহত হয়েছেন। বুধবার দুপুর একটার দিকে উপজেলার পুষ্টকামুরী চরপাড়ার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে বাসের ৮ যাত্রী।
নিহতরা হলেন- প্রাণ বিএস গ্রুপের কর্মচারী এবং লেগুনার চালক মির্জাপুর উপজেলার আন্ধরা গ্রামের কালিদাস করের ছেলে দিলীপ (৩৬), সরিষাদাইড় গ্রামের পরেশ চকিদারের ছেলে হারাধন (২৭), পুষ্টকামুরী চরপাড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে শিমুল(২২) এবং শুভুল্যা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে সজল(২৩)। নিহতদের লাশ গোড়াই হাইওয়ে থানা ও কুমুদিনী হাসপাতালের মর্গে আনা হলে স্বজনদের বুকফাঁটা কান্নায় চার পাশের বাতাস ভারি হয়ে আসছিল।
মির্জাপুর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের অফিসার মো. আতাউর রহমান জানান,পাকুল্যা থেকে প্রাণ বিএস গ্রুপের একটি লেগুনা মালামাল নিয়ে মির্জাপুর আসছিল। দুপুর একটার দিকে বিপরিত দিকে ঢাকা থেকে রাজশাহীর চাপাইগামী বাসের মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। এতে লেগুনাটি দুমরে মুচরে যায়। এ সময় লেগুনার চালকসহ তিনজন ভিতরে আটকা পরে বাঁচার জন্য আর্তনাত করে। খবর পেয়ে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে কুমুদিনী হাসপাতালে প্রেরন করে। কিন্তু ঘটনাস্থলে লেগুনার দুইজন এবং কুমুদিনী হাসপাতালে নেওয়ার পথে চালকসহ অপর দুইজন মারা যান।
এ ব্যাপারে বিএস প্রাণ গ্রুপের মির্জাপুর উপজেলার নির্বাহী পরিচালক (প্রোভাইটর) বিপুল সাহার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, নিহতরা সবাই তার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাইন উদ্দিন মাইন বলেন, নিহতদের লাশ গোড়াই হাইওয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ওসি হুমায়ূন কবীর বলেন, আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


