বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

টি-টোয়েন্টিতেও জয় দিয়ে বাংলাদেশের শুরু

nasir-37696ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করার পর প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও জিতেছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জয় দিয়ে শুরু করলো মাশরাফির দল। বোলারদের নৈপুণ্যে ৪ উইকেটে হারিয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে টাইগার বাহিনী।

যদিও বাংলাদেশের জয়টা সহজ ছিল না। ১৩২ রানের ছোট লক্ষ্যে খেলতে নেমে ৮০ রানেই পথম সারির ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ কঠিন করে ফেলেছিল বাংলাদেশ। তবে মাহমুদউল্লাহর দৃঢ়তাপূর্ণ ব্যাটিংয়ে জয় নিয়ে তুলে নেয় স্বাগতিকরা। ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন অধিনায়ক মাশরাফি।

শুক্রবার মিরপুরে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের তোপে পড়ে ১৯.২ ওভারে ১৩১ রানেই অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

সফরাকারীদের দেওয়া ১৩২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭.৪ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৩১ রান করেছেন ওপেনার তামিম ইকবাল।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ১৩১ রানে অলআউট হয়েছে সফরকারী জিম্বাবুয়ে। ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই টাইগারদের বোলিং তোপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা ইনিংসের প্রথম ও তৃতীয় ওভারে জিম্বাবুয়ের দুই উইকেট তুলে নেন। একপর্যায়ে ৩৮ রানেই চার উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে।

কিন্তু ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মধ্যেই দলের হয়ে একাই লড়াই করছিলেন ম্যালকম ওয়ালার। ১৮ ওভারে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ করা ১২২ রানের অর্ধেকের বেশি রান আসে ওয়ালারের ব্যাট থেকে। পরে ১৮ ওভারের শেষ বলে এ ‘ডেঞ্জারম্যানকে’ ৬৮ রানে সাজঘরে ফেরান পেস বিস্ময় মুস্তাফিজ। ৩১ বল খেলে তিনি এ রান সংগ্রহ করেন। ওয়ালার আউট হয়ে যাওয়ার পর জিম্বাবুয়ে সংগ্রহ করতে পেরেছে কেবল ৯ রান।

বাংলাদেশের হয়ে মাশরাফি, মুস্তাফিজ, আল-আমিন ও অভিষিক্ত জুবায়ের ২ টি করে উইকেট নিয়েছেন।

বিকাল ৫টায় মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে খেলাটি শুরু হয়েছে। খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার করছে বিটিভি ও জিটিভি।

এর আগে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে সফরকারী জিম্বাবুয়েকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজের দলে দুটি পরিবর্তন এনে টোয়েন্টি২০ ম্যাচে মাঠে নেমেছে টাইগাররা।

এ ম্যাচে টোয়েন্টি২০ ভার্সনে অভিষেক হয়েছে স্পিনার যোবায়ের হোসেনের। এছাড়া দলে জায়গা পেয়েছেন এনামুল হক বিজয়। এনামুল সর্বশেষ এ ভার্সনের ম্যাচ খেলেছিলেন ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষিক্ত এনামুল ১২ টোয়েন্টি২০ ম্যাচে ৩০৭ রান সংগ্রহ করেছেন।

এদিকে সৌম্য সরকারের ইনজুরির কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কাকতলীয়ভাবে ওয়ানডে সিরিজে ফিরে দারুণ খেললেও টোয়েন্টি২০ ম্যাচের একাদশে জায়গা হয়নি ওপেনার ইমরুল কায়েসের। সর্বশেষ দুই ওয়ানডেতে তিনি ৭৬ ও ৭৩ রানের দুটি দারুণ ইনিংস খেলেছিলেন। ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে সর্বশেষ টোয়েন্টি২০ ম্যাচ খেলার টোয়েন্টি২০ ম্যাচে আর খেলার সুযোগ পাননি তিনি।

বাংলাদেশ দল:
মাশরাফি বিন মুর্তজা, তামিম ইকবাল, এনামুল হক বিজয়, লিটন কুমার দাস, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, সাব্বির রহমান, নাসির হোসেন, জুবায়ের হোসেন লিখন, মুস্তাফিজুর রহমান ও আল-আমিন হোসেন।

জিম্বাবুয়ে দল:
রেগিস চাকাভা, ক্রেইগ আরভিন, শন উইলিয়ামস, সিকান্দার রাজা, এল্টন চিগুম্বুরা, ম্যালকম ওয়ালার, গ্রায়েম ক্রেমার, তিনাশে পানিয়াঙ্গারা, লুক জংউই, টেন্ডাই চিসোরো ও নেভিল মাদজিভা।

আরও পড়ুন