ওয়ানডে সিরিজ জয় হয়ে গেছে আগেই। টি২০ও শুরু হয়েছে জয় দিয়ে। এবার লক্ষ্য সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটেও হোয়াইটওয়াশ। সে লক্ষ্যেই আজ রোববার বিকাল ৫টায় মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আবারও সফকারী জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হয়েছে মাশরাফি বিন মর্তুজার দল। আর এটাই সম্ভবত চলতি বছরের শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ টাইগারদের। অনেক প্রাপ্তির এই বছরটা তা-ই তারা জয় দিয়েই শেষ করতে চাচ্ছে।
যেহেতু হারলেও সিরিজ খোয়ানোর চাপ নেই। তবে টার্গেট টোয়েন্টি২০ সিরিজেও হোয়াইওয়াশ।
প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে রবিবার এই ম্যাচ দিয়ে সিরিজ শেষ হচ্ছে। পাকিস্তান, ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকাকে ওয়ানডে সিরিজে হারানোর পর জয়ের তাড়নায় বেশি বেশি অনুপ্রাণিত বাংলাদেশ। তারপর জিম্বাবুয়েকেও ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইওয়াশ করেছে মাশরাফি বাহিনী। এখন বাকি শেষ ম্যাচ। আত্মবিশ্বাসের পারদ আকাশ ছুঁই ছুঁই করছে বাংলাদেশের। বলা যায় প্রথম টোয়েন্টি২০ ম্যাচে বাংলাদেশের ওই আত্মবিশ্বাসের কাছেই হেরেছে জিম্বাবুয়ে।
প্রথম ম্যাচে জিতলেও ব্যাটিং নিয়ে হতাশা ছিল বাংলাদেশের। বিশেষ করে সংক্ষিপ্ত ভার্সনের ম্যাচে এমন ব্যাটিং দুর্দান্ত ফর্মে থাকা বাংলাদেশের কাছে আশা করা যায় না। বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ম্যাচে কোনো ব্যাটসম্যানই বড় স্কোর গড়তে পারেনি। তামিম সাব্বির-নাসির-মাহমুদুল্লাহ-লিটন-মাশরাফির টোটাল ব্যাটিংয়ে পার পেয়েছে বাংলাদেশ।
১৪ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতলেও খুশি হতে পারেননি অধিনায়ক মাশরাফি। তিনি বলেছেন, ‘দ্বিতীয় ম্যাচে নতুন খেলোয়াড়দের আবারো পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ রয়েছে। চাপের মধ্যে নতুন খেলোয়াড়রা কিভাবে নিজেদের সামলাতে পারে সেটারই শেষ সুযোগ রয়েছে এই ম্যাচে।’
খুব বেশি প্রয়োজন হলে দীর্ঘদিন পর একাদশে ফেরা এনামুলকে সরিয়ে ইনফর্ম ইমরুল কায়েসকে নেওয়া হতে পারে। কপাল খুলে যেতে পারে আরাফাত সানিরও। কিন্তু তার সবটাই নির্ভর করছে টসের পর। শনিবার ম্যাচের আগের দিন অফিসিয়াল কোনো অনুশীলন ছিল না দুই দলেরই।


