আমনের ভরা মৌসুমে ধানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না বগুড়ার কৃষকেরা। হাটবাজারগুলোতে ধানের মূল্য এতটাই কম যে, উৎপাদন খরচও উঠছে না বলে অভিযোগ চাষিদের। মিল মালিকরা বলছেন, সরকার যে সামান্য পরিমাণ ধান-চাল কিনবে তাতে বাজারে কোনই প্রভাব পরবে না। অবশ্য কৃষি কর্মকর্তা মনে করেন, কেনা শুরু হলে, দাম বাড়বে।
বগুড়ার মাঠে মাঠে চলছে ধান কাটা মাড়ার উৎসব। তবে এবার এ উৎসবে মলিন কৃষকের মুখ। প্রতি বিঘা জমিতে ধান চাষে কৃষকের খরচ হয়েছে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। সেখানে ৫শ’ থেকে ৬শ’ টাকা মণ দরে ধান বিক্রি করে লোকসান গুনছেন তারা।
সরকার যে চাল কেনার ঘোষণা দিয়েছে তাতে বাজারে মূল্য বৃদ্ধিতে তেমন কোনো প্রভাব ফেলবে না বলে মনে করেন জেলার চাল কল মালিক সমিতির নেতা এটিএম আমিনুল হক। কেজি ৩১ টাকা দরে ১৫ ডিসেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত সারাদেশে ২ লাখ মেট্রিক টন চাল কিনবে সরকার। চাল কেনার অভিযান শুরু হলে কৃষকরা লাভবান হবেন বলে মনে করেন কৃষি কর্মকর্তা চন্ডিদাস কুন্ড।
বগুড়া জেলার ২৩টি এলএসডি এবং একটি সিএসডি গুদামে ১ লাখ ১৩ হাজার ৫০ মেট্রিক টন চালের ধারণ ক্ষমতা থাকলেও বর্তমানে এসব গুদামে চাল রয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ১শ’ ৭৯ মেট্রিক টন।


