মানবতাবিরোধী অপরাধে বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখায় মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় আনন্দ মিছিল করে আওয়ামী লীগ ও মুক্তিযোদ্ধারা। সেই মিছিলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণের জন্য না ডাকায় ক্ষিপ্ত হয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী এই হামলা চালায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
ওই সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুসের জামা-কাপড় টেনে, ছিঁড়ে লাঞ্ছিত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৩টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলা পরিষদ চত্বর মোড়ে পৌঁছালে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শী উপজেলা কৃষক লীগের সাবেক আহ্বায়ক শওকত আলী খান সাংবাদিকদের জানান, ছাত্রলীগের হামলায় আবদুল কুদ্দুসের জামা-কাপড় ছিঁড়ে যায়। এ সময় জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে বড় ধরনের আঘাত থেকে রক্ষা পান তিনি।
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার আবদুল কাদের হামলার ঘটনা স্বীকার করে জানান, দলের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহমুদুল হাসান সুমন সাংবাদিকদের জানান, আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণের জন্য না ডাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে জ্যেষ্ঠ নেতাদের হস্তক্ষেপে তা মিটমাট হয়ে গেছে।
জানতে চাইলে ঘটনাটি তেমন কিছু নয় বলে মন্তব্য করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কুদ্দুস।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল নিশাত জানান, বিষয়টি নিয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।


