একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার এলাকায় নিরাপত্তা শনিবার সকালে আরও বাড়ানো হয়েছে। সাকা ও মুজাহিদের প্রাণভিক্ষা চাওয়ার বিষয়টি নিষ্পত্তিতে দুজন ম্যাজিস্ট্রেট কারাগারে ঢুকেছেন বলেও কারা কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।
রাজধানীর নাজিমউদ্দিন রোডের এই কারাগারেই রয়েছেন এই দুই যুদ্ধাপরাধী। বুধবার তাদের রিভিউ আবেদন খারিজের পর থেকে সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাহারা বসে।
শুক্রবার নিরাপত্তা জোরদারের পর শনিবার সকাল থেকে আরও কড়াকড়ি দেখা যাচ্ছে কারাফটক এবং সংলগ্ন এলাকায়। কারাগারের পূর্ব-দক্ষিণ পাশে চক বাজার থেকে কারাফটকের সামনে দিয়ে যাওয়ার সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কারাফটকের কাছে সংবাদ মাধ্যমের কোনো গাড়িও রাখতে দেওয়া হচ্ছে না। হেঁটে ঢুকতে চাইলেও তল্লাশি হচ্ছে। পরিচয় যাচাইয়ের পর শুধু গণমাধ্যমকর্মী এবং কারাগারে বিভিন্ন বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাৎপ্রার্থীদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।
কারাফটকের সামনে সশস্ত্র অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছেন ডজন খানেক র্যাব সদস্য। আশপাশে এই বাহিনীর অর্ধশত সদস্য টহলে রয়েছেন।
পুলিশ বাহিনী একটি সাঁজোয়া যান নিয়ে তৈরি আছে। প্রায় একশ পুলিশ সদস্যকে বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন দেখা যাচ্ছে, এছাড়া সাদা পোশাকেও রয়েছেন অন্যান্য বাহিনীর সদস্য।
গত দুদিনের চেয়ে শনিবার নিরাপত্তা বাড়ানোর বিষয়ে ডিএমপির লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার সঞ্জীত কুমার রায় বলেন, “যেহেতু দুজন ফাঁসির আসামি রয়েছেন। তাই বাইরে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য এই পদক্ষেপ।”


