দেশে সাংগঠনিকভাবে আইএস নেই- একথা অাবারো সাফ জানিয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বলেন, জঙ্গিদের অরিজিনটা জামায়াত। দেশের জঙ্গিবাদের উৎপত্তি জামায়াত থেকে। জামায়াত নিষিদ্ধের আইনি প্রক্রিয়া চলছে। তবে এটা নিয়ে এখনই বেশি কিছু বলবো না।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জোর গলায় বলছি, সাংগঠনিকভাবে দেশে আইএস নেই। দেশের জঙ্গি গ্রুপগুলো নাম পাল্টে নানা অপকর্ম করছে। দেশের সব জঙ্গিবাদের মূলে জামায়াত-শিবির।
যদিও মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক উগ্রপন্থি জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস তাদের মাসিক পত্রিকা ‘দাবিক’ এর সর্বশেষ সংখ্যায় দাবি করেছে, তারা বাংলাদেশে নতুন করে হামলার জন্য আরো সংগঠিত হচ্ছে। এর জন্য আইএস বাংলাদেশে একজন নেতাও পেয়েছে। তবে সেই আইএস নেতার নাম কি- তা প্রকাশ করেনি জঙ্গিগোষ্ঠী। তিনি কে হতে পারেন- তারও কোনো আভাস দেয়নি।
ঢাকায় অভিজিৎ রায় হত্যার ঘটনাস্থল ও ইতালীয় নাগরিক তাভেল্লা সিজারের লাশের ছবি প্রকাশ করে ‘দি রিভাইভাল অব জিহাদ ইন বেঙ্গল’ শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে উল্লেখ করা হয়েছে ‘বেঙ্গল’ নামে। সেখানে লেখা হয়েছে, “বাংলাদেশে খিলাফতের সৈনিকেরা খলিফা ইব্রাহিমের আনুগত্যে সমবেত হয়েছেন। পুরনো বিভাজন ভুলে একজন আঞ্চলিক নেতা নির্বাচন করেছেন তারা, তার অধীনে প্রয়োজনীয় সামরিক প্রস্তুতি নিয়েছেন, বাস্তবায়ন করছেন ইসলামিক স্টেট নেতার দেওয়া আদেশ।”
আইএস দাবি করা তাজিয়া মিছিলের হোতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) নিয়ে দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। বিদেশে থাকা বাংলাদেশিরা এমআরপি পাবেন, পাসপোর্ট অধিদফতরের সেই সক্ষমতা আছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের তরুণরা অনেক ইনোভেটিভ। তারা বিকল্পভাবে ফেসবুক ব্যবহার করছেন। তবে তা না করাই ভালো।


