সরকারের পাঠানো চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। সোমবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো চিঠির জবাব এসেছে মঙ্গলবার। আগামী সপ্তাহে বৈঠকে বসার আগ্রহ দেখিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম এই ব্যাপারে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানান, ফেসবুকের পলিসি এ্যাডভাইজার আমাদের ইমেইল করে জানিয়েছেন ৬ অথবা ৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশে এসে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করতে চায় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানতে চাইলে তারানা হালিম বলেন, আমরা মূলত নারীর প্রতি অবমাননার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আলোচনার কথা বলেছি। তারা বিষয়টি আমলে নিয়ে আলোচনার আগ্রহ দেখিয়েছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার শুরু থেকেই এ বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে আসছি। প্রথম থেকেই বিভিন্ন মাধ্যমে ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করলেও তারা সাড়া দেয়নি। এবার মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি পাঠানোর পর সাড়া দিল’ বলেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে যেসব বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছি তার সবগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। আশা করি ফেসবুক বিষয়ক উদ্যোগটিও সফল হবে।’
সূত্র জানায়, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে পাঠানো চিঠিতে যেসব বিষয় উল্লেখ করা হয়েছিল সবগুলো বিষয়েই আলোচনা করতে সম্মতি জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সাইবার নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে ফেসবুকের মাধ্যমে নারীর প্রতি হয়রানি, ধর্মীয় উসকানি, রাজনৈতিক অস্থিরতার মতো বিষয়গুলো ঠেকাতে ফেসবুকের সঙ্গে চুক্তি করার লক্ষ্যে বিশদ আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে গতকাল সোমবার ফেসবুকের এশিয়া-প্যাসিফিক কার্যালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে চিঠি পাঠানো হয়। এতে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ফেসবুকের নানা ধরনের অপব্যবহারসহ নেতিবাচক বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।


